রেজিস্ট্রেশন ফর্ম ফিলাপ করতে না পেরে স্কুল গেটের সামনে বসে পড়লো পড়ুয়াদের একাংশ ও অভিবাবকরা। উত্তেজনা দুর্গাপুরে। আদালতের রায় মেনে আমরা কাজ করছি পাল্টা প্রতিক্রিয়া স্কুল কর্তৃপক্ষের।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=বকেয়া ফি না দিলে মাধ্যমিক পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন ফর্ম ফিলাপ করতে দেওয়া হবে না, অভিযোগ উঠেছিল, শর্ত রাখা হয় রেজিস্ট্রেশন যদি করতে হয় তাহলে পনেরো দিনের মধ্যে সেই টাকা মিটিয়ে দিতে হবে এই মর্মে সাদা কাগজে লিখে দিতে হবে।
শুক্রবার সকালে এই ঘটনার জেরে নিমেষে উত্তেজনা ছড়ালো দুর্গাপুরের নিউটাউনশীপ থানার অন্তর্গত এম. এ. এম. সি টউনশিপ মডার্ন হাইস্কুল চত্বরে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ
কিন্তু ততক্ষনে স্কুল কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবীতে স্কুলের গেটের সামনে বসে পড়ে পড়ুয়াদের একাংশ সাথে সামিল হন অভিবাবকরা, বন্ধ করে দেওয়া হয় স্কুলের ক্যাশ কাউন্টার । 
পুলিশ হাজার বোঝানোর চেষ্টা করলেও পড়ুয়া আর অভিবাবকরা নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। অভিযোগ করেন, আদালতের বিচারাধীন একটা বিষয়কে নিয়ে মডার্ন স্কুল কর্তৃপক্ষ যা মন চাই তাই বলে যাচ্ছেন আর রেজিস্ট্রেশন না করতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত তো স্কুলের অমানবিক এক ঘটনা। 
এইদিকে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন আদালতের রায় মেনেই তারা কাজ করেছেন, মহামান্য আদালতের নির্দেশ মেনেই স্কুল ফি র ক্ষেত্রে ছাড়ও দেওয়া হয়েছে কিন্তু এত কিছুর পরও অভিবাবক ও পড়ুয়াদের একাংশ কেন এই আন্দোলন করছেন সেটাই বুঝতে পারছি না আমরা।
শুক্রবার সকালে এই ঘটনার জেরে নিমেষে উত্তেজনা ছড়ালো দুর্গাপুরের নিউটাউনশীপ থানার অন্তর্গত এম. এ. এম. সি টউনশিপ মডার্ন হাইস্কুল চত্বরে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ
কিন্তু ততক্ষনে স্কুল কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবীতে স্কুলের গেটের সামনে বসে পড়ে পড়ুয়াদের একাংশ সাথে সামিল হন অভিবাবকরা, বন্ধ করে দেওয়া হয় স্কুলের ক্যাশ কাউন্টার । 
পুলিশ হাজার বোঝানোর চেষ্টা করলেও পড়ুয়া আর অভিবাবকরা নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে। অভিযোগ করেন, আদালতের বিচারাধীন একটা বিষয়কে নিয়ে মডার্ন স্কুল কর্তৃপক্ষ যা মন চাই তাই বলে যাচ্ছেন আর রেজিস্ট্রেশন না করতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত তো স্কুলের অমানবিক এক ঘটনা। 
এইদিকে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন আদালতের রায় মেনেই তারা কাজ করেছেন, মহামান্য আদালতের নির্দেশ মেনেই স্কুল ফি র ক্ষেত্রে ছাড়ও দেওয়া হয়েছে কিন্তু এত কিছুর পরও অভিবাবক ও পড়ুয়াদের একাংশ কেন এই আন্দোলন করছেন সেটাই বুঝতে পারছি না আমরা।
Comments
Post a Comment