দুর্গাপুরে গঙ্গাজলে স্নান করানো হল স্বামী বিবেকানন্দর মূর্তি।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=দুর্গাপুর নগর নিগমের বোরো চেয়ারম্যান থাকাকালীন স্বামী বিবেকানন্দর মূর্তি বসানোর পরিক্ল্পনা করেছিলেন চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়।
প্রায় ২০লক্ষ টাকা খরচ করে দুর্গাপুর ব্যারেজ সংলগ্ন রাজ্য সড়কের ওপর স্বামী বিবেকানন্দর মূর্তি বসানো হয়।
চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর রাতারাতি বদলে যায় পুরো ছবিটা।
মঙ্গলবার ১২ই জানুয়ারী স্বামীজীর জন্মদিনে সেই মূর্তির উন্মোচন হয় রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের হাত ধরে। বুধবার স্বামীজীর সেই মূর্তিকে গঙ্গাজলে স্নান করলো বিজেপি কর্মী সমর্থকরা আর যার পুরোভাগে ছিলেন সেই চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়,
স্বামী বিবেকানন্দর পায়ে ফুল দিয়ে চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, শুধু রাজনীতি করতেই এই মূর্তির উন্মোচন করে দিল তৃণমূল নেতৃত্ব,
তাকে ডাকার সৌজন্য বোধটুকু করেননি তৃণমূল নেতারা অথচ তার উদ্যোগেই স্বামী বিবেকানন্দর এই মূর্তি তৈরী হয়েছিল,
আর আজ গঙ্গাজলে স্বামীজীর মূর্তিকে স্নান করলাম কারণ অপবিত্র হয়ে গিয়েছিল এই মূর্তি। তৃণমূল নেতা উত্তম মুখোপাধ্যায় জানান রাজ্য সরকারের টাকাতে এই মূর্তি তৈরী হয়েছিল,
আর রইল বিজেপি কি বললো, ওরা কি বললো তাতে কিছু যায় আসেনা বলে তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছেন। রাজনীতির চাপানো উতোরে জন্মদিনের পরের দিনেও শান্তি পেলেন না স্বামী বিবেকানন্দ।
প্রায় ২০লক্ষ টাকা খরচ করে দুর্গাপুর ব্যারেজ সংলগ্ন রাজ্য সড়কের ওপর স্বামী বিবেকানন্দর মূর্তি বসানো হয়।
চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর রাতারাতি বদলে যায় পুরো ছবিটা।
মঙ্গলবার ১২ই জানুয়ারী স্বামীজীর জন্মদিনে সেই মূর্তির উন্মোচন হয় রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের হাত ধরে। বুধবার স্বামীজীর সেই মূর্তিকে গঙ্গাজলে স্নান করলো বিজেপি কর্মী সমর্থকরা আর যার পুরোভাগে ছিলেন সেই চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়,
স্বামী বিবেকানন্দর পায়ে ফুল দিয়ে চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, শুধু রাজনীতি করতেই এই মূর্তির উন্মোচন করে দিল তৃণমূল নেতৃত্ব,
তাকে ডাকার সৌজন্য বোধটুকু করেননি তৃণমূল নেতারা অথচ তার উদ্যোগেই স্বামী বিবেকানন্দর এই মূর্তি তৈরী হয়েছিল,
আর আজ গঙ্গাজলে স্বামীজীর মূর্তিকে স্নান করলাম কারণ অপবিত্র হয়ে গিয়েছিল এই মূর্তি। তৃণমূল নেতা উত্তম মুখোপাধ্যায় জানান রাজ্য সরকারের টাকাতে এই মূর্তি তৈরী হয়েছিল,
আর রইল বিজেপি কি বললো, ওরা কি বললো তাতে কিছু যায় আসেনা বলে তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছেন। রাজনীতির চাপানো উতোরে জন্মদিনের পরের দিনেও শান্তি পেলেন না স্বামী বিবেকানন্দ।
Comments
Post a Comment