পড়ুয়াদের নজিরবিহীন আন্দোলন দুর্গাপুরে.দাবী আদায়ে প্রায় ১৪ঘন্টা পড়ুয়াদের বিক্ষোভে আটকে রইলেন শিক্ষিকারা। টানটান উত্তেজনা দুর্গাপুরে।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=প্রায় ১৪ঘন্টার টানাপোড়েন, শেষ পর্যন্ত প্রশাসনিক আশ্বাস পেয়ে শিক্ষিকাদের ঘেরাও আন্দোলন তুলে নিল পড়ুয়া ও অভিবাবকরা।
সোমবার সকাল ৮টা থেকে এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল,দাবী ছিল টিউশন ফি দেব কিন্তু কোনোভাবেই রি অ্যাডমিশনের টাকা দেব না, পড়ুয়াদের এই দাবী মানতে নারাজ ছিল দুর্গাপুরের বিধান চন্দ্র ইনস্টিটিউশন ফর গার্লসের কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ, রি অ্যাডমিশনের টাকা না দিলে উচ্চ মাধ্যমিকের ফর্ম ফিলাপ করতে দেওয়া হবে না বলে পাল্টা জানিয়ে দেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্কুলের গেটের সামনে বসে পড়ে ছাত্রীরা শুরু হয় স্লোগান,
যে আন্দোলনে সামিল হয় অভিবাবকরাও। দুই পক্ষ নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করেন মহকুমা শাসক অর্ঘপ্রসূন কাজী, স্কুলে পাঠান ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ব্রততি মৈত্রকে,
কিন্তু পড়ুয়ারা জানিয়ে দেয় তাদের অভিবাবকরা আলোচনায় বসবেন কিন্তু আগে ফর্ম ফিলাপ করতে দিতে হবে। জটিলতা না কাটায় স্কুল থেকে খালি হাতে কার্যতঃ ফিরে যান ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট।
এরপর ঠিক হয় মঙ্গলবার সকালে মহকুমা শাসকের দফতরের অভিবাবক ফোরামকে নিয়ে আলোচনাতে বসবেন মহকুমা শাসক, সেখানে স্কুলের প্রতিনিধিরাও থাকবেন, আলোচনা হবে সমস্যা নিয়ে।
আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের এক আধিকারিকের এই আশ্বাস পেয়ে রাত্রি ৯.৪৫মিনিটে ঘেরাও আন্দোলন তুলে নেয় অভিবাবক ও পড়ুয়ারা। এরই মধ্যে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়ে।
তবে অভিবাবক ফোরাম জানিয়ে দিয়েছে যদি মঙ্গলবারও নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থেকে ফর্ম ফিলাপ করতে দিতে না চায় স্কুল কর্তৃপক্ষ তাহলে আরো বড় আন্দোলনে নামবেন তারা আর যার দায় বর্তাবে স্কুল কর্তৃপক্ষের ওপরে।
এইদিকে স্কুলের অধ্যক্ষা অপরাজিতা ভট্রাচার্য্য জানান, আদালতের রায় মেনেই তারা সব করছেন কিন্তু অভিবাবকরা পড়ুয়াদের সামনে রেখে কেন এই আচরণ করছেন সেটা একমাত্র তারাই বলতে পারেন।
সব মিলিয়ে গোটা ঘটনায় টানটান উত্তেজনা রয়েছে শহর দুর্গাপুরে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিবাবক ফোরাম আর মহকুমা প্রশাসনের মধ্যে এই সমস্যা নিতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ব্যার্থ হয় তাহলে পরিস্থিতি কি দাঁড়াবে এখন সেটাই মাথা ব্যাথার কারণ প্রশাসনের কাছে।
সোমবার সকাল ৮টা থেকে এই আন্দোলন শুরু হয়েছিল,দাবী ছিল টিউশন ফি দেব কিন্তু কোনোভাবেই রি অ্যাডমিশনের টাকা দেব না, পড়ুয়াদের এই দাবী মানতে নারাজ ছিল দুর্গাপুরের বিধান চন্দ্র ইনস্টিটিউশন ফর গার্লসের কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগ, রি অ্যাডমিশনের টাকা না দিলে উচ্চ মাধ্যমিকের ফর্ম ফিলাপ করতে দেওয়া হবে না বলে পাল্টা জানিয়ে দেয় স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্কুলের গেটের সামনে বসে পড়ে ছাত্রীরা শুরু হয় স্লোগান,
যে আন্দোলনে সামিল হয় অভিবাবকরাও। দুই পক্ষ নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করেন মহকুমা শাসক অর্ঘপ্রসূন কাজী, স্কুলে পাঠান ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ব্রততি মৈত্রকে,
কিন্তু পড়ুয়ারা জানিয়ে দেয় তাদের অভিবাবকরা আলোচনায় বসবেন কিন্তু আগে ফর্ম ফিলাপ করতে দিতে হবে। জটিলতা না কাটায় স্কুল থেকে খালি হাতে কার্যতঃ ফিরে যান ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট।
এরপর ঠিক হয় মঙ্গলবার সকালে মহকুমা শাসকের দফতরের অভিবাবক ফোরামকে নিয়ে আলোচনাতে বসবেন মহকুমা শাসক, সেখানে স্কুলের প্রতিনিধিরাও থাকবেন, আলোচনা হবে সমস্যা নিয়ে।
আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের এক আধিকারিকের এই আশ্বাস পেয়ে রাত্রি ৯.৪৫মিনিটে ঘেরাও আন্দোলন তুলে নেয় অভিবাবক ও পড়ুয়ারা। এরই মধ্যে আন্দোলনরত পড়ুয়াদের বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়ে।
তবে অভিবাবক ফোরাম জানিয়ে দিয়েছে যদি মঙ্গলবারও নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থেকে ফর্ম ফিলাপ করতে দিতে না চায় স্কুল কর্তৃপক্ষ তাহলে আরো বড় আন্দোলনে নামবেন তারা আর যার দায় বর্তাবে স্কুল কর্তৃপক্ষের ওপরে।
এইদিকে স্কুলের অধ্যক্ষা অপরাজিতা ভট্রাচার্য্য জানান, আদালতের রায় মেনেই তারা সব করছেন কিন্তু অভিবাবকরা পড়ুয়াদের সামনে রেখে কেন এই আচরণ করছেন সেটা একমাত্র তারাই বলতে পারেন।
সব মিলিয়ে গোটা ঘটনায় টানটান উত্তেজনা রয়েছে শহর দুর্গাপুরে। মঙ্গলবার সকাল ১১টায় স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিবাবক ফোরাম আর মহকুমা প্রশাসনের মধ্যে এই সমস্যা নিতে ত্রিপাক্ষিক বৈঠক ব্যার্থ হয় তাহলে পরিস্থিতি কি দাঁড়াবে এখন সেটাই মাথা ব্যাথার কারণ প্রশাসনের কাছে।
Comments
Post a Comment