নতুন বছরের শুরুতেই শিল্পাঞ্চল দুর্গাপুরে বড় ধাক্কা। বন্ধ হয়ে গেল দুর্গাপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। শ্রমিক বিক্ষোভ ইউনিটের সামনে।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=নতুন বছরের শুরুতে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেল দুর্গাপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের। দূষণের নিয়ম নীতি মানা হচ্ছেনা এই প্রশ্নে গত ৩১শে ডিসেম্বর রাত্রি থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এমনটাই দাবী ট্রেড ইউনিয়নগুলির। 
শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুলে দুর্গাপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভে সামিল হল আই. এন. টি. টি. ইউ. সি কর্মী সমর্থকরা। শ্রমিক নেতৃত্বের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার ভোটের আগে পরিকল্পিতভাবে দুর্গাপুরের ইউনিট। 
দুর্গাপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারটি ইউনিট ছিল, ধাপে ধাপে তিনটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, চতুর্থ ইউনিট বন্ধ হয়ে গেল বৃহস্পতিবার রাতে, আর যার জেরে স্থায়ী অস্থায়ী মিলিয়ে ১৩০০কর্মী কাজ হারালেন। 
স্থানীয় ৩৭নম্বর ওয়ার্ডের পুরপিতা স্বরূপ মন্ডলের অভিযোগ, আমরা অনেক আগে থেকেই পঞ্চম ইউনিট তৈরীর দাবী করেছিলাম, কারণ চতুর্থ ইউনিটটির বয়স ৩৮হয়ে গিয়েছিল, আর একটা ইউনিটের আয়ু থাকে ২৫বছর, সেই ক্ষেত্রে একটু তৎপরতা থাকলে এতগুলো মানুষ একসাথে বেকার হয়ে পড়তো না। 
দুর্গাপুর নগর নিগমের ৫নম্বর বোরো চেয়ারম্যান লোকনাথ দাসের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে দুর্গাপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চতুর্থ ইউনিটটিকে বন্ধ করে দেওয়া হল, কেন্দ্রীয় সরকার স্রেফ রাজনীতি করার জন্য এই কাজটা করল। শনিবার সকাল থেকে দুর্গাপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গেটের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে আই. এন. টি. টি. ইউ. সি কর্মী সমর্থকরা, 
কারখানার ভেতর শ্রমিকরা ঢুকতে গেলে শ্রমিকদের সাথে একপ্রস্থ বচসা শুরু হয়ে যায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সি. আই. এস. এফ জওয়ানদের, শেষ পর্যন্ত গেট পাস দেখিয়ে আন্দোলনরত শ্রমিকরা ভেতরে ঢুকে গিয়ে শক্তি ভবনের সামনে বসে পড়ে বিক্ষোভ শুরু করে দেয়, 
তাদের দাবী ছিল যতক্ষণ না কেন্দ্রীয় সরকার এই অনৈতিক চক্রান্ত বন্ধ না করছেন ততক্ষন তারা এই আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। শনিবারের এই বিক্ষোভ কর্মসূচীর জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, শ্রমিকদের হুঁশিয়ারি ছিল যদি দুর্গাপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র করে দিয়ে অন্ডালের ইউনিট চালিয়ে রাখার ভাবনা ভাবে সরকার তাহলে এর পরিনাম ভয়ঙ্কর হবে। 
দুর্গাপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়াতে শুধু শ্রমিকরা নয়, অত্যন্ত খারাপ হয়ে যাবে এলাকার আর্থ সামাজিক অবস্থা এমনটাই মনে করছেন শ্রমিক নেতৃত্ব।

শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ তুলে দুর্গাপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভে সামিল হল আই. এন. টি. টি. ইউ. সি কর্মী সমর্থকরা। শ্রমিক নেতৃত্বের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার ভোটের আগে পরিকল্পিতভাবে দুর্গাপুরের ইউনিট। 
দুর্গাপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চারটি ইউনিট ছিল, ধাপে ধাপে তিনটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, চতুর্থ ইউনিট বন্ধ হয়ে গেল বৃহস্পতিবার রাতে, আর যার জেরে স্থায়ী অস্থায়ী মিলিয়ে ১৩০০কর্মী কাজ হারালেন। 
স্থানীয় ৩৭নম্বর ওয়ার্ডের পুরপিতা স্বরূপ মন্ডলের অভিযোগ, আমরা অনেক আগে থেকেই পঞ্চম ইউনিট তৈরীর দাবী করেছিলাম, কারণ চতুর্থ ইউনিটটির বয়স ৩৮হয়ে গিয়েছিল, আর একটা ইউনিটের আয়ু থাকে ২৫বছর, সেই ক্ষেত্রে একটু তৎপরতা থাকলে এতগুলো মানুষ একসাথে বেকার হয়ে পড়তো না। 
দুর্গাপুর নগর নিগমের ৫নম্বর বোরো চেয়ারম্যান লোকনাথ দাসের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে দুর্গাপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চতুর্থ ইউনিটটিকে বন্ধ করে দেওয়া হল, কেন্দ্রীয় সরকার স্রেফ রাজনীতি করার জন্য এই কাজটা করল। শনিবার সকাল থেকে দুর্গাপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গেটের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে আই. এন. টি. টি. ইউ. সি কর্মী সমর্থকরা, 
কারখানার ভেতর শ্রমিকরা ঢুকতে গেলে শ্রমিকদের সাথে একপ্রস্থ বচসা শুরু হয়ে যায় নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সি. আই. এস. এফ জওয়ানদের, শেষ পর্যন্ত গেট পাস দেখিয়ে আন্দোলনরত শ্রমিকরা ভেতরে ঢুকে গিয়ে শক্তি ভবনের সামনে বসে পড়ে বিক্ষোভ শুরু করে দেয়, 
তাদের দাবী ছিল যতক্ষণ না কেন্দ্রীয় সরকার এই অনৈতিক চক্রান্ত বন্ধ না করছেন ততক্ষন তারা এই আন্দোলন চালিয়ে যাবেন। শনিবারের এই বিক্ষোভ কর্মসূচীর জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, শ্রমিকদের হুঁশিয়ারি ছিল যদি দুর্গাপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র করে দিয়ে অন্ডালের ইউনিট চালিয়ে রাখার ভাবনা ভাবে সরকার তাহলে এর পরিনাম ভয়ঙ্কর হবে। 
দুর্গাপুর তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাওয়াতে শুধু শ্রমিকরা নয়, অত্যন্ত খারাপ হয়ে যাবে এলাকার আর্থ সামাজিক অবস্থা এমনটাই মনে করছেন শ্রমিক নেতৃত্ব।
এই ভাবেই সব বন্ধ কোরে দেবে আর আমবানিদের বেচে দেবে।
ReplyDeleteবিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য পাগল লোকে
Deleteএই ভাবেই সব বন্ধ কোরে দেবে আর আমবানিদের বেচে দেবে।
ReplyDelete