পুলকার পুড়ে ছাই হয়ে গেল দুর্গাপুরে। শুক্রবার বড়দিনের সকালে নিমেষে চাঞ্চল্য ছড়ালো শহরে।ঘটনাস্থলে পুলিশ।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=ফের কি বাইক আর গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার অপরাধ চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে দুর্গাপুরে?শুক্রবার বড়দিনের সকালে দুর্গাপুরের বেনাচিতির জে. কে পাল লেনের ঠিক নিচের দিকে সুখেন রুইদাসের বাড়ীর সামনেই দাঁড় করানো থাকতো তার পুলকার।
শুক্রবার সকালে ঘুম থেকে উঠে পুলকারের মালিক সুখেন রুইদাস বাড়ীর বাইরে বেড়িয়ে দেখেন দাঁড়িয়ে থাকা তার পুলকার পুড়ে ছাই। সাথে সাথে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে এর তদন্ত শুরু করে।
বাড়ীর বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা বাইক ও চার চাকার গাড়িতে রাতের অন্ধকারে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনার তিক্ত অভিজ্ঞতার সেই স্মৃতি আজও দুর্গাপুর বাসীর মনে রয়েছে, সক্রিয় এই দুষ্কৃতীবাহিনীকে দমন করতে বেশ হিমশিম খেতে হয়েছিল পুলিশকে।
শুক্রবারের পুলকার পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ফের কি এই চক্র দুর্গাপুরের বুকে সক্রিয় হয়ে উঠছে?এখন এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ সেই দুষ্কৃতীবাহিনীর কথাটাও মাথাতে রেখেছে। তবে বেনাচিতির পুলকার গাড়ির মালিক সুখেন রুইদাসের অভিযোগ, বাড়ীর পাশে থাকা একটি পুকুরের সামনে
বহিরাগত কিছু অসামাজিক লোকজন এসে মদের ঠেক বসায়, বারবার বারণ করা হয়েছে, কিন্তু অন্ধকার নামলেই এদের দৌরাত্ম বাড়তে থাকে, আর এদের ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারেনা।
এখন পুলিশ এটাও খতিয়ে দেখছে এর পেছনে অন্য কোনো কারণ লুকিয়ে রয়েছে কিনা। রহস্যময় এই ঘটনারই এখন তদন্ত পুলিশ শুরু করেছে, খুব তাড়াতাড়ি দুষ্কৃতীরা ধরা পড়বে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
শুক্রবার সকালে ঘুম থেকে উঠে পুলকারের মালিক সুখেন রুইদাস বাড়ীর বাইরে বেড়িয়ে দেখেন দাঁড়িয়ে থাকা তার পুলকার পুড়ে ছাই। সাথে সাথে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে এর তদন্ত শুরু করে।
বাড়ীর বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা বাইক ও চার চাকার গাড়িতে রাতের অন্ধকারে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনার তিক্ত অভিজ্ঞতার সেই স্মৃতি আজও দুর্গাপুর বাসীর মনে রয়েছে, সক্রিয় এই দুষ্কৃতীবাহিনীকে দমন করতে বেশ হিমশিম খেতে হয়েছিল পুলিশকে।
শুক্রবারের পুলকার পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ফের কি এই চক্র দুর্গাপুরের বুকে সক্রিয় হয়ে উঠছে?এখন এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ সেই দুষ্কৃতীবাহিনীর কথাটাও মাথাতে রেখেছে। তবে বেনাচিতির পুলকার গাড়ির মালিক সুখেন রুইদাসের অভিযোগ, বাড়ীর পাশে থাকা একটি পুকুরের সামনে
বহিরাগত কিছু অসামাজিক লোকজন এসে মদের ঠেক বসায়, বারবার বারণ করা হয়েছে, কিন্তু অন্ধকার নামলেই এদের দৌরাত্ম বাড়তে থাকে, আর এদের ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারেনা।
এখন পুলিশ এটাও খতিয়ে দেখছে এর পেছনে অন্য কোনো কারণ লুকিয়ে রয়েছে কিনা। রহস্যময় এই ঘটনারই এখন তদন্ত পুলিশ শুরু করেছে, খুব তাড়াতাড়ি দুষ্কৃতীরা ধরা পড়বে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
Comments
Post a Comment