শ্রমিক সংগঠন আই. এন. টি. টি. ইউ. সি তে ফের বিশ্বনাথ পাড়িয়ালেই আস্থা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।কারখানাগুলিতে নিয়োগে স্থানীয়দের অগ্রাধিকারের দাবীতে বিশ্বনাথ পাড়িয়ালের যুক্তিতে সীলমোহর তৃণমূল সুপ্রিমোর।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=আমি কাজ করতে গেলেই পেছন থেকে টেনে ধরা হচ্ছে, স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছি না আমি।আর এতে দল সংগঠন সরকার তিনের ক্ষতি করছে দলের এক শ্রেণীর নেতা।
দলের এক শ্রেণীর নেতার বিরুদ্ধে এই ভাষাতেই সুর চড়িয়ে ছিলেন আই. এন. টি. টি. ইউ. সি পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিশ্বনাথ পাড়িয়াল।
অভিযোগ তুলেছিলেন শ্রমিক নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্যা দলের এক শ্রেণীর নেতা ইচ্ছে করে জিইয়ে রেখেছে আর এতে করে দলের সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে আর কেউ কেউ ইচ্ছে করে এইভাবে সরকার সংগঠনের জেনে বুঝে ক্ষতি করছে।
দুর্গাপুরে বেসরকারী কারখানাগুলিতে স্থানীয়দের চাকরীর দাবী উঠছিল, আর যে দাবীকে সমর্থন করেছিলেন বিশ্বনাথ পারিয়াল,সগরভাঙার বেসরকারী এক কারখানার সামনে টানা একুশ দিন গেটের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেওছিল স্থানীয়রা।
বুধবার দুর্গাপুরে দলীয় নেতৃত্বের সাথে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলাকালীন বিশ্বনাথ পাড়িয়ালের সেই দাবিতেই সীলমোহর দিয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বৈঠকে রাজ্যের শ্রম মন্ত্রী মলয় ঘটককে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, স্থানীয়রা চাকরি না পেলে সত্যি তো তাদের ক্ষোভ বাড়বেই,
তুমি, বিশু দেখে নাও ব্যাপারটা, বহিরাগত নয়, নিয়োগ প্রক্রিয়াতে স্থানীয়দের গুরুত্ব দিতে হবে বলে এই বৈঠকে তার ভাবনা স্পষ্ট করে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। দুর্গাপুরের ডেপুটি মেয়র অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় জানান, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন মান অভিমান ভুলে কাজ করতে হবে আমাদের একসাথ,
আর কারখানাগুলোতে স্থানীয় বেকারদের চাকরি দিতে হবে। কারখানাগুলিতে নিয়োগ প্রক্রিয়াতে স্থানীয়দের অগ্রাধিকারের দাবীকে মুখ্যমন্ত্রী গুরুত্ব দেওয়াতে খুশি বিশ্বনাথ পাড়িয়াল, আর সেই ক্ষেত্রে যে কারখানাগুলিতে নিয়োগ প্রক্রিয়াতে তার দাবীকে নেত্রী সীলমোহর দিয়ে দেওয়াতে এখন কারখানা কর্তৃপক্ষগুলিকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বলা হবে বলে বলেও সূত্রমাফিক জানা গেছে।
নেতৃত্বের দিক থেকে দুর্গাপুর অভিবাবকহীন, পাশের শহর থেকেই সব সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়,দুর্গাপুরের তৃণমূল কর্মী থেকে নেতারা এই কথাটা অনেকেই সামনে না বললেও ঘনিষ্ঠ মহলে প্রায়শই বলতো,একটা চাপা ক্ষোভ ছিলই এই ব্যাপারে।
এখন রাজনৈতিক মহল বলছেন এইদিক থেকে এইবার মুখ্যমন্ত্রীর দুর্গাপুর সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ যার জ্বলন্ত উদাহরণ বৈঠকে অপূর্ব মুখোপাধ্যায়কে দেখতে না পেয়ে তাকে ফোন করে মান অভিমান ভুলে মাঠে নামার নির্দেশ সাথে সংগঠনের হাল ধরার কথা বলা,
আর অন্যদিকে ঠিক একই ভাবে বিশ্বনাথ পড়িয়ালের স্থানীয়দের চাকরীর দাবীকে সীলমোহর দিয়ে এগিয়ে চলার বার্তাও সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ।
দুর্গাপুরের দুই ভূমিপুত্রের ওপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আস্থা ভরসা অভিবাবকহীন দুর্গাপুর এই যে বদনাম তা যে অনেকটা ঘুচবে সেটা হয়তো আর বলার অপেক্ষা রাখেনা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষণকারীরা।
দলের এক শ্রেণীর নেতার বিরুদ্ধে এই ভাষাতেই সুর চড়িয়ে ছিলেন আই. এন. টি. টি. ইউ. সি পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিশ্বনাথ পাড়িয়াল।
অভিযোগ তুলেছিলেন শ্রমিক নিয়োগ সংক্রান্ত সমস্যা দলের এক শ্রেণীর নেতা ইচ্ছে করে জিইয়ে রেখেছে আর এতে করে দলের সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে আর কেউ কেউ ইচ্ছে করে এইভাবে সরকার সংগঠনের জেনে বুঝে ক্ষতি করছে।
দুর্গাপুরে বেসরকারী কারখানাগুলিতে স্থানীয়দের চাকরীর দাবী উঠছিল, আর যে দাবীকে সমর্থন করেছিলেন বিশ্বনাথ পারিয়াল,সগরভাঙার বেসরকারী এক কারখানার সামনে টানা একুশ দিন গেটের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসেওছিল স্থানীয়রা।
বুধবার দুর্গাপুরে দলীয় নেতৃত্বের সাথে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক চলাকালীন বিশ্বনাথ পাড়িয়ালের সেই দাবিতেই সীলমোহর দিয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বৈঠকে রাজ্যের শ্রম মন্ত্রী মলয় ঘটককে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, স্থানীয়রা চাকরি না পেলে সত্যি তো তাদের ক্ষোভ বাড়বেই,
তুমি, বিশু দেখে নাও ব্যাপারটা, বহিরাগত নয়, নিয়োগ প্রক্রিয়াতে স্থানীয়দের গুরুত্ব দিতে হবে বলে এই বৈঠকে তার ভাবনা স্পষ্ট করে দেন তৃণমূল সুপ্রিমো। দুর্গাপুরের ডেপুটি মেয়র অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায় জানান, মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন মান অভিমান ভুলে কাজ করতে হবে আমাদের একসাথ,
আর কারখানাগুলোতে স্থানীয় বেকারদের চাকরি দিতে হবে। কারখানাগুলিতে নিয়োগ প্রক্রিয়াতে স্থানীয়দের অগ্রাধিকারের দাবীকে মুখ্যমন্ত্রী গুরুত্ব দেওয়াতে খুশি বিশ্বনাথ পাড়িয়াল, আর সেই ক্ষেত্রে যে কারখানাগুলিতে নিয়োগ প্রক্রিয়াতে তার দাবীকে নেত্রী সীলমোহর দিয়ে দেওয়াতে এখন কারখানা কর্তৃপক্ষগুলিকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বলা হবে বলে বলেও সূত্রমাফিক জানা গেছে।
নেতৃত্বের দিক থেকে দুর্গাপুর অভিবাবকহীন, পাশের শহর থেকেই সব সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হয়,দুর্গাপুরের তৃণমূল কর্মী থেকে নেতারা এই কথাটা অনেকেই সামনে না বললেও ঘনিষ্ঠ মহলে প্রায়শই বলতো,একটা চাপা ক্ষোভ ছিলই এই ব্যাপারে।
এখন রাজনৈতিক মহল বলছেন এইদিক থেকে এইবার মুখ্যমন্ত্রীর দুর্গাপুর সফর বেশ তাৎপর্যপূর্ণ যার জ্বলন্ত উদাহরণ বৈঠকে অপূর্ব মুখোপাধ্যায়কে দেখতে না পেয়ে তাকে ফোন করে মান অভিমান ভুলে মাঠে নামার নির্দেশ সাথে সংগঠনের হাল ধরার কথা বলা,
আর অন্যদিকে ঠিক একই ভাবে বিশ্বনাথ পড়িয়ালের স্থানীয়দের চাকরীর দাবীকে সীলমোহর দিয়ে এগিয়ে চলার বার্তাও সমানভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ।
দুর্গাপুরের দুই ভূমিপুত্রের ওপর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই আস্থা ভরসা অভিবাবকহীন দুর্গাপুর এই যে বদনাম তা যে অনেকটা ঘুচবে সেটা হয়তো আর বলার অপেক্ষা রাখেনা বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষণকারীরা।
Comments
Post a Comment