মাঠে নামো এইবার, দুর্গাপুর নগর নিগমকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি দুর্গাপুরে দলের সাংগঠনিক হাল ধরো তুমি, ফোনে দুর্গাপুরের প্রাক্তন মেয়র অপূর্ব মুখোপাধ্যায়কে বার্তা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=ঘড়ির কাটাতে তখন ১.২০। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকটার তখন ভগৎ সিং মাঠ ছেড়ে আকাশপথে বনগাঁর দিকে রওনা দিল।
বনগাঁর সভাতে যাওয়ার আগে ভগৎ সিং মাঠেই দলের নেতা পুরপিতা ও পুরমাতাদের পাশাপাশি জেলার মন্ত্রী মলয় ঘটকের সাথে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং।
মাঠে ঢুকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খোঁজ করেন দুর্গাপুরের প্রাক্তন মেয়র অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের।কোথায় অপু?
নেত্রীর এই প্রশ্নের উত্তর দিতে সাথে সাথে দুর্গাপুর নগর নিগমের ২৪নম্বর ওয়ার্ডের পুরমাতা লাভলী রায়ের ফোন থেকে অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের সাথে ফোনের স্পিকার অন করে কথা বলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বলেন মান অভিমান ভুলে এইবার ভালোভাবে কাজ করতে হবে,
তুমি অভিজ্ঞ মানুষ, দুর্গাপুর নগর নিগমের কাজকর্মে আরো গতি আনতে সহযোগিতা করো, আর কাঁকসার দলের সংগঠনকে সাজাতে যা যা প্রয়োজন করো,অপূর্ব মুখোপাধ্যায়কে এইদিন ফোনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,মান অভিমান ভুলে মাঠে নামো,
কাঁকসার দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব নাও এইবার, দুই জনের কুশল বিনিময়ের পর শেষ হয় ফোন পর্ব। প্রাক্তন বিধায়ক ও শহরের প্রাক্তন মহানাগরিক অপূর্ব মুখোপাধ্যায়কে নেত্রীর ফোনের কথা স্বীকার করে নেন দুর্গাপুরের ডেপুটি মেয়র ও অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের সহধর্মিনী অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়।
বক্তব্য=অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়।মঙ্গলবার দুর্গাপুর সার্কিট হাউসের উদ্বোধন করে নবনির্মিত সার্কিট হাউসেই ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।
দুপুর ১২.৩০টা নাগাদ সার্কিট হাউস থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় ছোটে ভগৎ সিং স্টেডিয়ামে তৈরী হওয়া হেলিপ্যাডের দিকে।
এই মাঠেই বনগাঁ রওনা হওয়ার আগে দলীয় নেতা কাউন্সিলার ও মন্ত্রী মলয় ঘটককে নিয়ে রুদ্ধদার আধ ঘন্টার বৈঠক হয় যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দেন উন্নয়নের প্রশ্নে কোনো আপোষ নয়, একসাথে কাজ করতে হবে,
আনতে হবে কাজে গতি। সূত্রমাফিক জানা গেছে দুর্গাপুর নগর নিগমের এক মেয়র পরিষদকে ধমক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন আগের মতো তুমি আর নেই,বদলে গেছো অনেকটাই , এর আগে সৃজনীতে প্রশাসনিক বৈঠকে যেমন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন দলের শ্রমিক সংগঠনে নাক গলাবে না,
সেই একই বার্তা বুধবারও দেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রমাফিক জানা গেছে এরপর মুখ্যমন্ত্রী দুর্গাপুরের মহানাগরিক দিলীপ অগস্তিকে বলেন,ভালো করে কাজ করুন, আর সবার দিকে তাকিয়ে বলেন ব্যবহার ভালো করুন মানুষের সাথে, নগর নিগমের এক মেয়র পরিষদকে মজার ছলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের সাথে আছো তো?
না নিকট কোনো আত্মীয় মারফত অন্য কোথাও যোগাযোগ করছো? তবে শেষমেশ বলেন, কোনো কাজ আটকে রাখা চলবে না যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজে গতি আনতে হবে নচেৎ মানুষের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছবে।
বৈঠকে বেশ কয়েকজন কাউন্সিলার অনুপস্থিত ছিলেন, আসেননি শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ দুর্গাপুর নগর নিগমের চার নম্বর বোরো চেয়ারম্যান তথা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়।
যদিও কেন এনারা আসেননি সেই প্রশ্নে মুখে কুলুপ পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের।
বনগাঁর সভাতে যাওয়ার আগে ভগৎ সিং মাঠেই দলের নেতা পুরপিতা ও পুরমাতাদের পাশাপাশি জেলার মন্ত্রী মলয় ঘটকের সাথে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং।
মাঠে ঢুকেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খোঁজ করেন দুর্গাপুরের প্রাক্তন মেয়র অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের।কোথায় অপু?
নেত্রীর এই প্রশ্নের উত্তর দিতে সাথে সাথে দুর্গাপুর নগর নিগমের ২৪নম্বর ওয়ার্ডের পুরমাতা লাভলী রায়ের ফোন থেকে অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের সাথে ফোনের স্পিকার অন করে কথা বলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বলেন মান অভিমান ভুলে এইবার ভালোভাবে কাজ করতে হবে,
তুমি অভিজ্ঞ মানুষ, দুর্গাপুর নগর নিগমের কাজকর্মে আরো গতি আনতে সহযোগিতা করো, আর কাঁকসার দলের সংগঠনকে সাজাতে যা যা প্রয়োজন করো,অপূর্ব মুখোপাধ্যায়কে এইদিন ফোনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,মান অভিমান ভুলে মাঠে নামো,
কাঁকসার দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব নাও এইবার, দুই জনের কুশল বিনিময়ের পর শেষ হয় ফোন পর্ব। প্রাক্তন বিধায়ক ও শহরের প্রাক্তন মহানাগরিক অপূর্ব মুখোপাধ্যায়কে নেত্রীর ফোনের কথা স্বীকার করে নেন দুর্গাপুরের ডেপুটি মেয়র ও অপূর্ব মুখোপাধ্যায়ের সহধর্মিনী অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়।
বক্তব্য=অনিন্দিতা মুখোপাধ্যায়।মঙ্গলবার দুর্গাপুর সার্কিট হাউসের উদ্বোধন করে নবনির্মিত সার্কিট হাউসেই ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।
দুপুর ১২.৩০টা নাগাদ সার্কিট হাউস থেকে মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় ছোটে ভগৎ সিং স্টেডিয়ামে তৈরী হওয়া হেলিপ্যাডের দিকে।
এই মাঠেই বনগাঁ রওনা হওয়ার আগে দলীয় নেতা কাউন্সিলার ও মন্ত্রী মলয় ঘটককে নিয়ে রুদ্ধদার আধ ঘন্টার বৈঠক হয় যেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ জানিয়ে দেন উন্নয়নের প্রশ্নে কোনো আপোষ নয়, একসাথে কাজ করতে হবে,
আনতে হবে কাজে গতি। সূত্রমাফিক জানা গেছে দুর্গাপুর নগর নিগমের এক মেয়র পরিষদকে ধমক দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন আগের মতো তুমি আর নেই,বদলে গেছো অনেকটাই , এর আগে সৃজনীতে প্রশাসনিক বৈঠকে যেমন মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন দলের শ্রমিক সংগঠনে নাক গলাবে না,
সেই একই বার্তা বুধবারও দেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রমাফিক জানা গেছে এরপর মুখ্যমন্ত্রী দুর্গাপুরের মহানাগরিক দিলীপ অগস্তিকে বলেন,ভালো করে কাজ করুন, আর সবার দিকে তাকিয়ে বলেন ব্যবহার ভালো করুন মানুষের সাথে, নগর নিগমের এক মেয়র পরিষদকে মজার ছলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের সাথে আছো তো?
না নিকট কোনো আত্মীয় মারফত অন্য কোথাও যোগাযোগ করছো? তবে শেষমেশ বলেন, কোনো কাজ আটকে রাখা চলবে না যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজে গতি আনতে হবে নচেৎ মানুষের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছবে।
বৈঠকে বেশ কয়েকজন কাউন্সিলার অনুপস্থিত ছিলেন, আসেননি শুভেন্দু অধিকারী ঘনিষ্ঠ দুর্গাপুর নগর নিগমের চার নম্বর বোরো চেয়ারম্যান তথা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়।
যদিও কেন এনারা আসেননি সেই প্রশ্নে মুখে কুলুপ পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের।
নেত্রীর কথা শুনলে এত দিনে Stadium এর এই হাল হয়। অতবড়ো stadium এখনও গ্যালারি কোরতে পারলো না।
ReplyDelete