স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুরু হতে চলেছে দুর্গাপুরের কল্পতরু মেলা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ঘুরে দেখলেন দুর্গাপুরের মহানাগরিক দিলীপ অগস্তি।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=করোনা আবহে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ১লা জানুয়ারী থেকে শুরু হচ্ছে কল্পতরু মেলা।দুর্গাপুর স্টেশন সংলগ্ন গ্যামন ব্রীজ মোড়ের কাছে কল্পতরু ময়দানে এই মেলা ৪৬বছরে পা দিল।
বুধবার শেষ মুহূর্তের মেলার প্রস্তুতি ঘুরে দেখলেন দুর্গাপুরের মহানাগরিক দিলীপ অগস্তি, সাথে ছিলেন প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক বিপ্লব বসু ঠাকুর, মেলা কমিটির অন্যতম উদ্যোক্তা নয়ন মালাকার, সূর্য্য কেশ সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনরা।
এবার কল্পতরু মেলায় ২২০টির মতো স্টল থাকবে যা গতবারের চেয়ে ১০০টির মতো কম। কারণ হিসেবে দুর্গাপুর সাংস্কৃতিক মেলা কমিটির পক্ষে নয়ন মালাকার জানান, সামাজিক দূরত্বের বিধি মেনে এবার দোকানগুলির কাঠামো তৈরী হয়েছে। 
দুর্গাপুর বইমেলা এবার হচ্ছে না, আক্ষেপ করে দুর্গাপুরের মেয়র দিলীপ অগস্তি বলেন, সমাজের কোনো স্তর এমনকি বইপ্রেমীদের কাছ থেকে একটাও ফোন পায়নি যারা কিনা বলবে কেন বন্ধ হবে বইমেলা।
দুর্গাপুর সাংস্কৃতিক মেলাতে এবার বইমেলার স্টল ৪০থেকে বাড়িয়ে ৫১টি করা হল, দুর্গাপুরের মেয়র জানালেন, অন্ততঃ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটুক। স্বাস্থ্যবিধি মানতে প্রত্যেক দর্শনার্থীদের মাস্ক পড়ে মেলায় ঢুকতে হবে, 
মাস্ক কেউ নিয়ে আসতে ভুলে গেলে মেলার প্রতিটি গেটের সামনে মাস্কের দোকান থাকবে অত্যন্ত কম টাকায় সেই মাস্ক দেওয়া হবে।মেলার প্রতিটি গেটের সামনে স্যানিটাইজার মেশিন থাকবে বলে মেলা কমিটির পক্ষে নয়ন মালাকার জানালেন। 
এইবার প্রথম মেলাতে থাকা খাবারের স্টলে দুর্গাপুর নগর নিগম থেকে আধিকারিকরা আচমকা অভিযানে আসবেন, পরীক্ষা করবেন খাবারের নমুনা, ত্রুটি থাকলে নেবেন কড়া পদক্ষেপ। 
সব মিলিয়ে নতুন বছরের শুরুর দিন থেকে উৎসব প্রিয় মানুষের কথা মাথায় রেখে শুরু হতে চলেছে দুর্গাপুর সাংস্কৃতিক মেলা অনেকে যে মেলাকে কল্পতরু মেলা হিসেবে চেনে। মেলাকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ব্যাবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
বুধবার শেষ মুহূর্তের মেলার প্রস্তুতি ঘুরে দেখলেন দুর্গাপুরের মহানাগরিক দিলীপ অগস্তি, সাথে ছিলেন প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিক বিপ্লব বসু ঠাকুর, মেলা কমিটির অন্যতম উদ্যোক্তা নয়ন মালাকার, সূর্য্য কেশ সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনরা।
এবার কল্পতরু মেলায় ২২০টির মতো স্টল থাকবে যা গতবারের চেয়ে ১০০টির মতো কম। কারণ হিসেবে দুর্গাপুর সাংস্কৃতিক মেলা কমিটির পক্ষে নয়ন মালাকার জানান, সামাজিক দূরত্বের বিধি মেনে এবার দোকানগুলির কাঠামো তৈরী হয়েছে। 
দুর্গাপুর বইমেলা এবার হচ্ছে না, আক্ষেপ করে দুর্গাপুরের মেয়র দিলীপ অগস্তি বলেন, সমাজের কোনো স্তর এমনকি বইপ্রেমীদের কাছ থেকে একটাও ফোন পায়নি যারা কিনা বলবে কেন বন্ধ হবে বইমেলা।
দুর্গাপুর সাংস্কৃতিক মেলাতে এবার বইমেলার স্টল ৪০থেকে বাড়িয়ে ৫১টি করা হল, দুর্গাপুরের মেয়র জানালেন, অন্ততঃ দুধের স্বাদ ঘোলে মিটুক। স্বাস্থ্যবিধি মানতে প্রত্যেক দর্শনার্থীদের মাস্ক পড়ে মেলায় ঢুকতে হবে, 
মাস্ক কেউ নিয়ে আসতে ভুলে গেলে মেলার প্রতিটি গেটের সামনে মাস্কের দোকান থাকবে অত্যন্ত কম টাকায় সেই মাস্ক দেওয়া হবে।মেলার প্রতিটি গেটের সামনে স্যানিটাইজার মেশিন থাকবে বলে মেলা কমিটির পক্ষে নয়ন মালাকার জানালেন। 
এইবার প্রথম মেলাতে থাকা খাবারের স্টলে দুর্গাপুর নগর নিগম থেকে আধিকারিকরা আচমকা অভিযানে আসবেন, পরীক্ষা করবেন খাবারের নমুনা, ত্রুটি থাকলে নেবেন কড়া পদক্ষেপ। 
সব মিলিয়ে নতুন বছরের শুরুর দিন থেকে উৎসব প্রিয় মানুষের কথা মাথায় রেখে শুরু হতে চলেছে দুর্গাপুর সাংস্কৃতিক মেলা অনেকে যে মেলাকে কল্পতরু মেলা হিসেবে চেনে। মেলাকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তা ব্যাবস্থাও নেওয়া হয়েছে।
Comments
Post a Comment