দুর্গাপুরে অন লাইনে আর্থিক প্রতারণা চক্রের তিন পান্ডাকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=ফোনে এটিএম কার্ডের ওপরে লেখা থাকা নম্বর চাওয়া বা অন্য কোনো ফন্দি এঁটে ব্যাঙ্কে থাকা টাকা গায়েব করে দেওয়া। অন লাইন আর্থিক প্রতারণা চক্রের এই ফন্দি ফিকির নতুন কিছু নয়।
এই প্রতারকডের ফাঁদে পড়ে সর্বশান্ত হয়েছেন অনেকে, পুলিশ বারবার এই সাধারণ মানুষকে বার্তাও দেয় কোনোভাবে কাউকে আপনার ব্যাঙ্কের কোনো গোপন তথ্য দেবেন না। কিন্তু কে শোনে কার কথা, বিপদে পড়ে যখন এই সাধারণ মানুষ সব কিছু খুইয়ে ফেলে তখন যায় পুলিশের কাছে সাহায্য চাইতে।
এই ঘটনার ফের সাক্ষী রইল দুর্গাপুরের মানুষ। ফের অন লাইনে আর্থিক প্রতারণার দায়ে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ও বিজোন ফাঁড়ির পুলিশ গ্রেপ্তার করল তিন জনকে।
এদের মধ্যে বিনোদ পাত্র নামে এক অভিযুক্ত বিজোন থানা এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত বিনোদ পাত্রের বিবৃতি মাফিক এই লোক ঠকানোর কাজে তার অবদান প্রায় ৫লক্ষ ২৫হাজার টাকার মতো, অভিযুক্তর দাবিমাফিক শুধু দুর্গাপুরেই এম. এ. এম. সি, কাদারোড মিলিয়ে প্রায় ৫০জনের মতো প্রতারক রয়েছে যারা এই কারবারে জড়িত, ধৃত দুই জনের মধ্যে মেধাবী ডিগ্রিধারী রয়েছে।
শুধু এক অভিযুক্তের প্রতারণার অঙ্কটা ৫লক্ষ ছাড়িয়ে যায় তাহলে শুধু দুর্গাপুরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাকি ৫০জনের অঙ্কটা কোন জায়গাতে পৌঁছবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। এখন পুলিশ ধৃত তিনজনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে এই তদন্তের গতি আনতে চাইছে,
এই অপরাধ চক্রের জাল আসানসোল পর্যন্ত রয়েছে বলে পুলিশের অনুমান। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ থেকে সাধারণ মানুষের কাছে ফের বার্তা দেওয়া হয়েছে বিপদের সময় পুলিশ সাহায্য করবে,
কিন্তু বিপদের আগে সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে, ব্যাঙ্কের কোনো গোপন তথ্য ফোনে অথবা অন্য কোনো ভাবে কাউকে না দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট থেকে। অন লাইন প্রতারণা চক্রের তিন পান্ডা পুলিশের জালে ধরা পড়াতে এখন স্বস্তি শহরবাসীর।
এই প্রতারকডের ফাঁদে পড়ে সর্বশান্ত হয়েছেন অনেকে, পুলিশ বারবার এই সাধারণ মানুষকে বার্তাও দেয় কোনোভাবে কাউকে আপনার ব্যাঙ্কের কোনো গোপন তথ্য দেবেন না। কিন্তু কে শোনে কার কথা, বিপদে পড়ে যখন এই সাধারণ মানুষ সব কিছু খুইয়ে ফেলে তখন যায় পুলিশের কাছে সাহায্য চাইতে।
এই ঘটনার ফের সাক্ষী রইল দুর্গাপুরের মানুষ। ফের অন লাইনে আর্থিক প্রতারণার দায়ে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের সাইবার ক্রাইম ও বিজোন ফাঁড়ির পুলিশ গ্রেপ্তার করল তিন জনকে।
এদের মধ্যে বিনোদ পাত্র নামে এক অভিযুক্ত বিজোন থানা এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্ত বিনোদ পাত্রের বিবৃতি মাফিক এই লোক ঠকানোর কাজে তার অবদান প্রায় ৫লক্ষ ২৫হাজার টাকার মতো, অভিযুক্তর দাবিমাফিক শুধু দুর্গাপুরেই এম. এ. এম. সি, কাদারোড মিলিয়ে প্রায় ৫০জনের মতো প্রতারক রয়েছে যারা এই কারবারে জড়িত, ধৃত দুই জনের মধ্যে মেধাবী ডিগ্রিধারী রয়েছে।
শুধু এক অভিযুক্তের প্রতারণার অঙ্কটা ৫লক্ষ ছাড়িয়ে যায় তাহলে শুধু দুর্গাপুরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা বাকি ৫০জনের অঙ্কটা কোন জায়গাতে পৌঁছবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। এখন পুলিশ ধৃত তিনজনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে এই তদন্তের গতি আনতে চাইছে,
এই অপরাধ চক্রের জাল আসানসোল পর্যন্ত রয়েছে বলে পুলিশের অনুমান। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ থেকে সাধারণ মানুষের কাছে ফের বার্তা দেওয়া হয়েছে বিপদের সময় পুলিশ সাহায্য করবে,
কিন্তু বিপদের আগে সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে, ব্যাঙ্কের কোনো গোপন তথ্য ফোনে অথবা অন্য কোনো ভাবে কাউকে না দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট থেকে। অন লাইন প্রতারণা চক্রের তিন পান্ডা পুলিশের জালে ধরা পড়াতে এখন স্বস্তি শহরবাসীর।
Comments
Post a Comment