পুনরায় কাজে নিয়োগের দাবীতে কারখানার সামনে অবস্থান বিক্ষোভ দুর্গাপুরে। কাজ ফিরে না পেলে পরিবারকে নিয়ে আত্মহত্যার হুঁশিয়ারি কাজ হারানো শ্রমিকদের।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=২০১১সালে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল দুর্গাপুরের কোকওভেন থানার অন্তর্গত লেনিন সরণির একটি বেসরকারী কারখানা। কর্তৃপক্ষের প্রতিশ্রুতি ছিল কারখানা আবার যখন খুলবে তখন কাজ হারানো এই শ্রমিকদের ফের বহাল করা হবে কাজে।
২০১৮সালে ফের খোলে কারখানার দরজা, কিন্তু ভেতরে ঢোকার ছাড়পত্র পায়নি কাজ হারানো সেইসব শ্রমিকরা, অথচ ভিন রাজ্যের বেশ কিছু শ্রমিক দিব্যি ভেতরে তাদের কাজগুলোই করছিল বলে অভিযোগ।
অনেকবার কারখানা কর্তৃপক্ষ কে বিষয়টি জানানো হয়েছিল, কিন্তু কোনোরকম গা করেনি কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার কাজ হারানো শ খানেক শ্রমিক বসে পড়লো কারখানার গেটের সামনে, কর্মরত শ্রমিকদের আটকে দিল কাজে।
শ্রমিকদের অভিযোগ,কর্তৃপক্ষ চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রাখতে পারেনি বারবার বলা সত্ত্বেও কোনোরকম ভ্রুক্ষেপ করেনি তারা, তাই বাধ্য হয়ে আমরা কারখানার গেটের সামনে বসে পড়েছি আর এতেও কাজ না হলে পরিবার নিয়ে এই গেটের সামনেই আত্মহত্যা করবো।
কারখানার গেটের সামনে শ্রমিকদের এই অবস্থান বিক্ষোভের জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে আর কাজ হারানো এই শ্রমিকদের আন্দোলনকে নৈতিক সমর্থন দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আই. এন. টি. টি. ইউ. সি নেতৃত্ব।কারখানা কর্তৃপক্ষ কোনোরকম প্রতিক্রিয়া দিতে রাজি হয়নি।
শ্রমিকদের দাবী অবিলম্বে বহিরাগতদের সরিয়ে দিয়ে স্থানীয়দের নিতে হবে সাথে কাজ হারানো শ্রমিকদের পুনরায় কাজে নিয়োগ করতে হবে, নচেৎ তারা আরো বড় আন্দোলন সংগঠিত করবেন প্রয়োজনে পরিবার পরিজনকে নিয়ে এসে কারখানার গেটের সামনে আত্মহত্যা করবেন তারা,
কারণ দিনের পর দিন না খেয়ে একটু একটু করে মরার চেয়ে এক্কেবারে মরে যাওয়াটাই ভালো।
২০১৮সালে ফের খোলে কারখানার দরজা, কিন্তু ভেতরে ঢোকার ছাড়পত্র পায়নি কাজ হারানো সেইসব শ্রমিকরা, অথচ ভিন রাজ্যের বেশ কিছু শ্রমিক দিব্যি ভেতরে তাদের কাজগুলোই করছিল বলে অভিযোগ।
অনেকবার কারখানা কর্তৃপক্ষ কে বিষয়টি জানানো হয়েছিল, কিন্তু কোনোরকম গা করেনি কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার কাজ হারানো শ খানেক শ্রমিক বসে পড়লো কারখানার গেটের সামনে, কর্মরত শ্রমিকদের আটকে দিল কাজে।
শ্রমিকদের অভিযোগ,কর্তৃপক্ষ চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি রাখতে পারেনি বারবার বলা সত্ত্বেও কোনোরকম ভ্রুক্ষেপ করেনি তারা, তাই বাধ্য হয়ে আমরা কারখানার গেটের সামনে বসে পড়েছি আর এতেও কাজ না হলে পরিবার নিয়ে এই গেটের সামনেই আত্মহত্যা করবো।
কারখানার গেটের সামনে শ্রমিকদের এই অবস্থান বিক্ষোভের জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে আর কাজ হারানো এই শ্রমিকদের আন্দোলনকে নৈতিক সমর্থন দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আই. এন. টি. টি. ইউ. সি নেতৃত্ব।কারখানা কর্তৃপক্ষ কোনোরকম প্রতিক্রিয়া দিতে রাজি হয়নি।
শ্রমিকদের দাবী অবিলম্বে বহিরাগতদের সরিয়ে দিয়ে স্থানীয়দের নিতে হবে সাথে কাজ হারানো শ্রমিকদের পুনরায় কাজে নিয়োগ করতে হবে, নচেৎ তারা আরো বড় আন্দোলন সংগঠিত করবেন প্রয়োজনে পরিবার পরিজনকে নিয়ে এসে কারখানার গেটের সামনে আত্মহত্যা করবেন তারা,
কারণ দিনের পর দিন না খেয়ে একটু একটু করে মরার চেয়ে এক্কেবারে মরে যাওয়াটাই ভালো।
Comments
Post a Comment