রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের পক্ষে জোরদার সওয়াল করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গী।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসনের পক্ষে জোরদার সওয়াল করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গী।
শনিবার দুর্গাপুরে বারাবনির ঘটনায় আহত এক দলীয় কর্মীকে হাসপাতালে দেখতে এসে এই মন্তব্য করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গী।
শনিবার সকালে আসানসোলের বারাবনিতে বিজেপির মিছিলের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে,
যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা, বোমা গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি বাইকে।
আশঙ্কাজনক অবস্থাতে একজনকে দুর্গাপুরের বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। শনিবার সেই দলীয় কর্মীকে দেখতে এসে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গী বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সব জানানো হয়েছে, আর তারা এই রাজ্যে ৩৫৬ধারা অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবী জানাচ্ছেন।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভাইপোর নাম নিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গী অভিযোগ করেন, আর নয় অন্যায় এই কর্মসূচীকে ঘিরে যে বোমা গুলির লড়াই হল তার পেছনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আর সরকারের পুলিশ দায়ী।
যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছেন, নিজেরা মারামারি করছে আর সব দায় চাপাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর,
আর যতই এসব করুক একুশের বিধানসভা নির্বাচনে শেষ হাসি তৃণমূল কংগ্রেসই হাসবে। সব মিলিয়ে একুশের নির্বাচনের আগে রাজনীতির পারদ চড়ছে।
শনিবার দুর্গাপুরে বারাবনির ঘটনায় আহত এক দলীয় কর্মীকে হাসপাতালে দেখতে এসে এই মন্তব্য করলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গী।
শনিবার সকালে আসানসোলের বারাবনিতে বিজেপির মিছিলের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দিকে,
যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা, বোমা গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বেশ কয়েকটি বাইকে।
আশঙ্কাজনক অবস্থাতে একজনকে দুর্গাপুরের বেসরকারী হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। শনিবার সেই দলীয় কর্মীকে দেখতে এসে বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গী বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সব জানানো হয়েছে, আর তারা এই রাজ্যে ৩৫৬ধারা অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবী জানাচ্ছেন।
রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভাইপোর নাম নিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গী অভিযোগ করেন, আর নয় অন্যায় এই কর্মসূচীকে ঘিরে যে বোমা গুলির লড়াই হল তার পেছনে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা আর সরকারের পুলিশ দায়ী।
যদিও যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছেন, নিজেরা মারামারি করছে আর সব দায় চাপাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের ওপর,
আর যতই এসব করুক একুশের বিধানসভা নির্বাচনে শেষ হাসি তৃণমূল কংগ্রেসই হাসবে। সব মিলিয়ে একুশের নির্বাচনের আগে রাজনীতির পারদ চড়ছে।
Comments
Post a Comment