টানা তিনমাস বেতন না পেয়ে দুর্গাপুর নগর নিগমের ভেতরে ঢুকে বিক্ষোভ শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের সহায়িকাদের, আন্দোলনকে সমর্থন করে নগর নিগমের ফিনান্স আধিকারিককে দায়ী করলেন শিক্ষা দফতরের মেয়র পরিষদ অঙ্কিতা চৌধুরী।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর =টানা তিনমাস বেতন নেই, একই সাথে নেই বোনাসের টাকা। মঙ্গলবার এই অভিযোগে দুর্গাপুর নগর নিগমের ফিনান্স আধিকারিককে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের সহায়িকাদের।
দুর্গাপুর নগর নিগমের ৪৩টি ওয়ার্ডের ১৭৯জন সহায়িকা এই আন্দোলনে মঙ্গলবার সামিল হয়েছিলেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, টানা তিনমাস ধরে তাদের বেতন নেই পাননি বোনাস অথচ এই টাকা ঢুকে গেছে দুর্গাপুর নগর নিগমে,
বারবার বলা সত্ত্বেও তারা পাচ্ছেন না এই টাকা অথচ এই টাকার ওপর চলে তাদের সংসার বাধ্য হয়ে আজ তারা এই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন। সংগঠনের সদস্যরা মঙ্গলবার প্রতিবাদ জানাতে জানাতে দুর্গাপুর নগর নিগমের ভেতরে ঢুকে পড়ে শুরু হয় স্লোগান,
কেন তারা টাকা পাচ্ছেন না এই প্রশ্ন তুলে আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ শুরু করে দেয়। শেষ পর্যন্তপরিস্থিতি সামলাতে নগর নিগম কর্তৃপক্ষ তাদের বুধবার দুপুর দুটোর মধ্যে টাকা দিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
তবে বুধবারও যদি তারা টাকা না পান তাহলে এইদিনই বিকেল চারটে থেকে ভয়ঙ্কর আন্দোলন তারা শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন দুর্গাপুর নগর নিগমের অধীন শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের সহায়িকারা। এইদিকে দুর্গাপুর নগর নিগমের শিক্ষা বিভাগের মেয়র পরিষদ অঙ্কিতা চৌধুরী জানিয়েছেন,
আমরা সব কাজ শেষ করে ফাইল ফিনান্স আধিকারিকের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন কিন্তু কেন ফিনান্স আধিকারিক এই প্রক্রিয়া শেষ করতে দেরী করলেন অযথা তার উত্তর উনি একমাত্র দিতে পারবেন বলে জানান অঙ্কিতা চৌধুরী।
শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের সহায়িকাদের এই আন্দোলনকে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে দুর্গাপুর নগর নিগমের শিক্ষা বিভাগের মেয়র পরিষদ অঙ্কিতা চৌধুরী জানান, ওনাদের জায়গায় আমি থাকলে সেই আন্দোলনে আমিও সামিল হতাম,
সব কাজ সময় মতো শেষ হয়ে গেলে এই অপ্রিয় ঘটনার মুখোমুখি হতে হতো না আমাদের এতে তো সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলে মেয়র পরিষদ অঙ্কিতা চৌধুরী জানান।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার সরকারী কাজে গতি আনতে চাইছেন, মানুষের দোরগোড়াতে সরকারী পরিষেবা পৌঁছে দিতে দুয়ারে দুয়ারে কর্মসূচী শুরু করেছেন.
কিন্ত এক শ্রেণীর সরকারী আধিকারিক যে এখনও সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে সেই পুরোনো ওয়ার্ক কালচারের মধ্যেই রয়ে গেছেন মঙ্গলবারের ঘটনা তা আরো একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল,
আর যার জন্য রাজ্যের সরকারের শত চেষ্টা সত্ত্বেও এক শ্রেণীর সরকারী আধিকারিকদের জন্য সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছে।
দুর্গাপুর নগর নিগমের ৪৩টি ওয়ার্ডের ১৭৯জন সহায়িকা এই আন্দোলনে মঙ্গলবার সামিল হয়েছিলেন। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ ছিল, টানা তিনমাস ধরে তাদের বেতন নেই পাননি বোনাস অথচ এই টাকা ঢুকে গেছে দুর্গাপুর নগর নিগমে,
বারবার বলা সত্ত্বেও তারা পাচ্ছেন না এই টাকা অথচ এই টাকার ওপর চলে তাদের সংসার বাধ্য হয়ে আজ তারা এই আন্দোলনে সামিল হয়েছেন। সংগঠনের সদস্যরা মঙ্গলবার প্রতিবাদ জানাতে জানাতে দুর্গাপুর নগর নিগমের ভেতরে ঢুকে পড়ে শুরু হয় স্লোগান,
কেন তারা টাকা পাচ্ছেন না এই প্রশ্ন তুলে আন্দোলনকারীরা বিক্ষোভ শুরু করে দেয়। শেষ পর্যন্তপরিস্থিতি সামলাতে নগর নিগম কর্তৃপক্ষ তাদের বুধবার দুপুর দুটোর মধ্যে টাকা দিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
তবে বুধবারও যদি তারা টাকা না পান তাহলে এইদিনই বিকেল চারটে থেকে ভয়ঙ্কর আন্দোলন তারা শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন দুর্গাপুর নগর নিগমের অধীন শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের সহায়িকারা। এইদিকে দুর্গাপুর নগর নিগমের শিক্ষা বিভাগের মেয়র পরিষদ অঙ্কিতা চৌধুরী জানিয়েছেন,
আমরা সব কাজ শেষ করে ফাইল ফিনান্স আধিকারিকের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন কিন্তু কেন ফিনান্স আধিকারিক এই প্রক্রিয়া শেষ করতে দেরী করলেন অযথা তার উত্তর উনি একমাত্র দিতে পারবেন বলে জানান অঙ্কিতা চৌধুরী।
শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের সহায়িকাদের এই আন্দোলনকে পূর্ণ সমর্থন দিয়ে দুর্গাপুর নগর নিগমের শিক্ষা বিভাগের মেয়র পরিষদ অঙ্কিতা চৌধুরী জানান, ওনাদের জায়গায় আমি থাকলে সেই আন্দোলনে আমিও সামিল হতাম,
সব কাজ সময় মতো শেষ হয়ে গেলে এই অপ্রিয় ঘটনার মুখোমুখি হতে হতো না আমাদের এতে তো সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে বলে মেয়র পরিষদ অঙ্কিতা চৌধুরী জানান।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার সরকারী কাজে গতি আনতে চাইছেন, মানুষের দোরগোড়াতে সরকারী পরিষেবা পৌঁছে দিতে দুয়ারে দুয়ারে কর্মসূচী শুরু করেছেন.
কিন্ত এক শ্রেণীর সরকারী আধিকারিক যে এখনও সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে সেই পুরোনো ওয়ার্ক কালচারের মধ্যেই রয়ে গেছেন মঙ্গলবারের ঘটনা তা আরো একবার চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল,
আর যার জন্য রাজ্যের সরকারের শত চেষ্টা সত্ত্বেও এক শ্রেণীর সরকারী আধিকারিকদের জন্য সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের মুখে পড়তে হচ্ছে।
আন্দোলনই পথ দেখায়।
ReplyDeleteSathik andolan aane joyer dhwajaa.
ReplyDelete