স্থায়ীকরন সহ বদলির হঠকারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দুর্গাপুরে ডিপিএল প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ। বিদ্যুৎ সচিবের গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ আন্দোলনকারীদের।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=ডিমড কেন আমাদের সরাসরি নিয়োগ করা হোক। কিন্তু তা না করে কোনোভাবেই বদলির নির্দেশ কার্যকর করতে দেওয়া হবেনা।
বৃহস্পতিবার এই দাবিকে সামনে রেখে ডিপিএলের প্রশাসনিক ভবনের সামনের রাস্তায় বসে পড়লো বিদ্যুৎ দফতরের চুক্তিভিত্তিক স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচশো জন কর্মী।
এইদিকে ডিপিএল প্রশাসনিক ভবনে বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ দফতরের সচিব সুরেশ কুমার একটি উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠকে যোগ দিতে এলে তার রাস্তা আটকে বিক্ষোভ শুরু করে বিদ্যুৎ দফতরের চুক্তিভিত্তিক স্থায়ী ও অস্থায়ী কর্মীরা,
ডিপিএলের নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা তখনকার মতো আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিলেও বিদ্যুৎ সচিব প্রশাসনিক ভবনের ভেতর ঢোকা মাত্রই আন্দোলনকারীরা গেট খুলে ডিপিএল প্রশাসনিক ভবনের মূল গেটের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে দেয়,
পরিস্থিতি সামলাতে কোকওভেন থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। আন্দোলনকারীদের দাবী ছিল যতক্ষণ তাদের দাবিগুলি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা না করা হচ্ছে ততক্ষন তারা মূল গেটের সামনে থেকে সরবেন না জারি রাখবে আন্দোলন।
শেষ পর্যন্ত আন্দোলনরত ফোরামের চার সদস্যের প্রতিনিধিকে ডেকে পাঠানো হয় ভেতরে আশ্বাস দেওয়া হয় দাবিগুলি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে।
ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আমরা বিদ্যুৎ সচিবকে লিখিতভাবে সব জানিয়েছি, যদি এরপরও প্রতিশ্রুতি ভাঙার খেলা জারি রাখা হয় প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে তারা পা বাড়াবেন।
আই. এন. টি. টি. ইউ. সি. পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি বিশ্বনাথ পড়িয়াল এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, বিদ্যুৎ মন্ত্রীর সাথে
শীঘ্র এই ব্যাপারে কথা বলবেন, কারণ কখনই কর্মী স্বার্থকে উপেক্ষা করা ঠিক কাজ নয়।
বৃহস্পতিবার এই দাবিকে সামনে রেখে ডিপিএলের প্রশাসনিক ভবনের সামনের রাস্তায় বসে পড়লো বিদ্যুৎ দফতরের চুক্তিভিত্তিক স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচশো জন কর্মী।
এইদিকে ডিপিএল প্রশাসনিক ভবনে বৃহস্পতিবার বিদ্যুৎ দফতরের সচিব সুরেশ কুমার একটি উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠকে যোগ দিতে এলে তার রাস্তা আটকে বিক্ষোভ শুরু করে বিদ্যুৎ দফতরের চুক্তিভিত্তিক স্থায়ী ও অস্থায়ী কর্মীরা,
ডিপিএলের নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা তখনকার মতো আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিলেও বিদ্যুৎ সচিব প্রশাসনিক ভবনের ভেতর ঢোকা মাত্রই আন্দোলনকারীরা গেট খুলে ডিপিএল প্রশাসনিক ভবনের মূল গেটের সামনে বিক্ষোভ শুরু করে দেয়,
পরিস্থিতি সামলাতে কোকওভেন থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। আন্দোলনকারীদের দাবী ছিল যতক্ষণ তাদের দাবিগুলি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা না করা হচ্ছে ততক্ষন তারা মূল গেটের সামনে থেকে সরবেন না জারি রাখবে আন্দোলন।
শেষ পর্যন্ত আন্দোলনরত ফোরামের চার সদস্যের প্রতিনিধিকে ডেকে পাঠানো হয় ভেতরে আশ্বাস দেওয়া হয় দাবিগুলি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে।
ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আমরা বিদ্যুৎ সচিবকে লিখিতভাবে সব জানিয়েছি, যদি এরপরও প্রতিশ্রুতি ভাঙার খেলা জারি রাখা হয় প্রয়োজনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে তারা পা বাড়াবেন।
আই. এন. টি. টি. ইউ. সি. পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি বিশ্বনাথ পড়িয়াল এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে বলেন, বিদ্যুৎ মন্ত্রীর সাথে
শীঘ্র এই ব্যাপারে কথা বলবেন, কারণ কখনই কর্মী স্বার্থকে উপেক্ষা করা ঠিক কাজ নয়।
Comments
Post a Comment