সরকারের লোগো লাগানো পানীয় জলের পাউচ পড়ে রয়েছে পরিত্যক্ত জায়গায়। দুর্গাপুর জুড়ে ক্ষোভের সুর, তদন্তের নির্দেশ মহকুমা শাসকের।

নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=পরিত্যক্ত এক জায়গায় খোলা আকাশের নিচে পড়ে রয়েছে সরকারের লোগো লাগানো পানীয় জলের পাউচ।এক দুটো নয়,হাজার খানেকেরও বেশী জলের পাউচ পড়ে রয়েছে খোলা আকাশের নিচে। সরকারের দেওয়া বিনা মূল্যের যে পানীয় জলের পাউচ পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল সাধারণ মানুষের ঘরে, সরকারের লোগো লাগানো সেই পানীয় জলের পাউচ পড়ে রয়েছে পরিত্যক্ত এক জায়গায়। দুর্গাপুরের সিটিসেন্টারের চতুরঙ্গের ময়দানের কাছেই রয়েছে নন কোম্পানি হাউসিং অ্যাসোসিয়েশনের অফিসের ঠিক পেছনে অফিস চত্বরের মধ্যেই পড়ে রয়েছে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের সরবরাহ করা সেই পানীয় জলের পাউচ। দুর্গাপুর ব্যারেজের লকগেট বিপর্যয়ের সময় শহরের পানীয় জলের সঙ্কট মেটাতে প্রতিদিন প্রায় ৫লক্ষ করে পানীয় জলের পাউচ সরবরাহ করেছিল জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর।টানা জল কষ্ট থেকে মুক্তি দিতে পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসন বিনামূল্যে এই পানীয় জলের পাউচ দুর্গাপুর নগর নিগমের বোরো চেয়ারম্যানদের মারফত শহরের প্রতিটি জায়গায় পৌঁছে দেওয়ার কাজ করছিল। কিন্তু এরই মাঝে মজুদ করা এই পানীয় জলের পাউচ কেন সাধারণ মানুষের ঘর পর্যন্ত না পৌঁছে পরিত্যক্ত জায়গাতে পড়ে রইল তা নিয়ে উঠেছে বিস্তর প্রশ্ন। দুর্গাপুর নগর নিগমের জল বিভাগের মেয়র পরিষদ পবিত্র চ্যাটার্জী জানান, দুর্গাপুরের মহকুমা শাসককে আমি জানিয়ে দিয়েছে কিভাবে এই জল সরবরাহ প্রক্রিয়া প্রশাসন করেছিল সেটা তার জানা নেই। অন্যদিকে দুর্গাপুরের মহকুমা শাসক অর্ঘ্যপ্রসূন কাজী জানিয়েছেন,এটা অত্যন্ত অন্যায় কাজ, প্রশাসনিক তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।তবে খোদ শহরের প্রাণকেন্দ্রে চরম অবিবেচক আর দায়িত্বজ্ঞানহীনতার ছবি দেখে শুধু স্তম্ভিত নয় ক্ষোভে ফুঁসছেন দুর্গাপুরবাসী, তাদের প্রশ্ন,দুর্গাপুর ব্যারেজে লকগেট বিপর্যয়ের সময় যেখানে জল নিয়েই এত কিছু হয়ে গেল, মানুষের ক্ষোভের আঁচ আছড়ে পড়েছিল শহরের কোনায় কোনায় তারপরেও শিক্ষা হবে না কারোর? উত্তর হয়তো সময় দেবে। তবে জলের এক নাম জীবন এই বাস্তব সত্যির বিচার এখন হয় কিনা বা হলেও নীরবে থাকে কিনা সেই দৃশ্যের অপেক্ষায় এখন শিল্পাঞ্চল দুর্গাপুরের মানুষ। তবে এই প্রশ্ন উঠেছে সিটিসেন্টার নন কোম্পানি হাউসিং অ্যাসোসিয়েশন অফিস চৌহদ্দির মধ্যে কিভাবে চলে এল সরকারী লোগো লাগানো বিনামূল্যে সরবরাহ করা এই পানীয় জলের পাউচ, সংস্থার কার্যকরী সভাপতি পীযুষ মজুমদার দায়সাড়া গোছের বক্তব্য রেখে জানিয়েছেন এটা জানা নেই তার। একমাত্র প্রশাসনিক তদন্তেই বেড়িয়ে আসতে পারে আসল সত্যি।

Comments

Popular posts from this blog

পাহাড়কে দূষণ মুক্ত করার ডাক দিয়ে দুর্গাপুর থেকে সাইকেল করে শুশুনিয়া পাহাড় পাড়ি তরুণ ব্রিগেডের।

দুর্গাপুরের মহকুমা শাসকের হাত ধরে শহরের বুকে যাত্রা শুরু এম পিক্স.কমের.

দুর্গাপুর ব্যারেজে দামোদরের জলে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী স্বামী স্ত্রী।