আদালতের রায় অমান্য করে বাড়তি টাকা চাইছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। দুর্গাপুরের একটি স্কুলে অধ্যক্ষা, শিক্ষিকা অশিক্ষক কর্মচারীদের স্কুলের ভেতর আটকে রেখে দিয়ে বিক্ষোভ অভিবাবকদের। ঘটনাস্থলে ছুটে এল পুলিশ।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=একাদশ শ্রেণীতে ভর্তির জন্য অ্যাডমিশন ফি নেওয়া হয়েছে,দ্বাদশ শ্রেণীতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। অভিযোগ স্কুল কর্তৃপক্ষ টাকা না দিলে ফর্ম ফিলাপ করতে দেবে না বলে সাফ জানিয়ে দেন।
বুধবার সকালে এই ঘটনার জেরে স্কুলের অধ্যক্ষা ও শিক্ষিকাদের পাশাপাশি অশিক্ষক কর্মচারীদের আটকে রেখে বিক্ষোভে সামিল হল অভিবাবকরা। দুর্গাপুরের বিধান চন্দ্র ইনস্টিটিউশনের এই ঘটনার সামাল দিতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসতে হল পুলিশকে।
একটা সময় স্কুলের মেন গেট আটকে দিয়ে বিক্ষোভে সামিল হয় অভিবাবকরা, শুরু হয় ধস্তাধস্তি। অভিবাবকদের অভিযোগ, একবার একাদশ শ্রেণীতে অ্যাডমিশন ফি নেওয়া হয়েছে, আবার দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য রি অ্যাডমিশন বাবদ মোটা টাকা চেয়ে বসে স্কুল কর্তৃপক্ষ আর দিতে না পারলে ফর্ম ফিলাপ করতে দেওয়া হবে না বলেও স্কুল কর্তৃপক্ষ অমানবিক আচরণ করতে শুরু করে বলে অভিযোগ।
কেন আদালতের রায় অমান্য করে রিঅ্যাডমিশন টাকা চাইছে স্কুল কর্তৃপক্ষ এই প্রশ্ন তুলে স্কুলের মেন গেট আটকে দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে দেয় স্কুলের সামনে,আটকে রেখে দেওয়া হয় স্কুলের অধ্যক্ষা, শিক্ষিকা ও অশিক্ষক কর্মচারীদের,শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ,
স্কুলের মূল গেটের সামনে শুরু হয় ধস্তাধস্তি।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ, শান্ত করার চেষ্টা করে আন্দোলনকারীদের,কিন্তু কোনো ভাবেই বাড়তি ফি তারা দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন অভিবাবকরা।শেষে পুলিশের মধ্যস্থতায় অভিবাবক আর স্কুল কর্তৃপক্ষ আলোচনায় বসে, ঠিক হয় পরে বসে আবার এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। প্রায় চার ঘন্টা পর ঘেরাও মুক্ত হয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।
তবে ফের যদি স্কুল কর্তৃপক্ষ নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে চায় তাহলে বড় ধরণের আন্দোলনের মুখে তারা পড়বেন বলে হুঁশিয়ারি। দুর্গাপুর বিধানচন্দ্র ইনস্টিটিউশনের ফর গার্লসের অধ্যক্ষা অপরাজিতা ভট্টাচার্য্য জানান, অভিবাবকদের বুঝিয়ে বলা হয়েছে সব,যে টাকা তারা চাইছেন,
সেটা না হলে স্কুল চলবে কিভাবে. আদালতের রায় মেনেই সব করা হচ্ছে বলে জানান স্কুলের অধ্যক্ষা। বুধবার সকাল থেকে অভিবাবকদের এই আন্দোলনের জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে, পুলিশ এসে কোনোক্রমে সামাল দেয় পরিস্থিতির।
বুধবার সকালে এই ঘটনার জেরে স্কুলের অধ্যক্ষা ও শিক্ষিকাদের পাশাপাশি অশিক্ষক কর্মচারীদের আটকে রেখে বিক্ষোভে সামিল হল অভিবাবকরা। দুর্গাপুরের বিধান চন্দ্র ইনস্টিটিউশনের এই ঘটনার সামাল দিতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসতে হল পুলিশকে।
একটা সময় স্কুলের মেন গেট আটকে দিয়ে বিক্ষোভে সামিল হয় অভিবাবকরা, শুরু হয় ধস্তাধস্তি। অভিবাবকদের অভিযোগ, একবার একাদশ শ্রেণীতে অ্যাডমিশন ফি নেওয়া হয়েছে, আবার দ্বাদশ শ্রেণীর জন্য রি অ্যাডমিশন বাবদ মোটা টাকা চেয়ে বসে স্কুল কর্তৃপক্ষ আর দিতে না পারলে ফর্ম ফিলাপ করতে দেওয়া হবে না বলেও স্কুল কর্তৃপক্ষ অমানবিক আচরণ করতে শুরু করে বলে অভিযোগ।
কেন আদালতের রায় অমান্য করে রিঅ্যাডমিশন টাকা চাইছে স্কুল কর্তৃপক্ষ এই প্রশ্ন তুলে স্কুলের মেন গেট আটকে দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে দেয় স্কুলের সামনে,আটকে রেখে দেওয়া হয় স্কুলের অধ্যক্ষা, শিক্ষিকা ও অশিক্ষক কর্মচারীদের,শুরু হয় তুমুল বিক্ষোভ,
স্কুলের মূল গেটের সামনে শুরু হয় ধস্তাধস্তি।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ, শান্ত করার চেষ্টা করে আন্দোলনকারীদের,কিন্তু কোনো ভাবেই বাড়তি ফি তারা দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন অভিবাবকরা।শেষে পুলিশের মধ্যস্থতায় অভিবাবক আর স্কুল কর্তৃপক্ষ আলোচনায় বসে, ঠিক হয় পরে বসে আবার এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। প্রায় চার ঘন্টা পর ঘেরাও মুক্ত হয় স্কুল কর্তৃপক্ষ।
তবে ফের যদি স্কুল কর্তৃপক্ষ নিজেদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে চায় তাহলে বড় ধরণের আন্দোলনের মুখে তারা পড়বেন বলে হুঁশিয়ারি। দুর্গাপুর বিধানচন্দ্র ইনস্টিটিউশনের ফর গার্লসের অধ্যক্ষা অপরাজিতা ভট্টাচার্য্য জানান, অভিবাবকদের বুঝিয়ে বলা হয়েছে সব,যে টাকা তারা চাইছেন,
সেটা না হলে স্কুল চলবে কিভাবে. আদালতের রায় মেনেই সব করা হচ্ছে বলে জানান স্কুলের অধ্যক্ষা। বুধবার সকাল থেকে অভিবাবকদের এই আন্দোলনের জেরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পরে, পুলিশ এসে কোনোক্রমে সামাল দেয় পরিস্থিতির।
School এর বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার কেশ করা উচিত।
ReplyDelete