দলত্যাগীরা দল ছাড়াতে রাহুমুক্ত হল তৃণমূল এই বার্তা দিয়ে দুর্গাপুরে পাপস্খলনের পুজো তৃণমূল কর্মীদের।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=বৃহস্পতিবার দল ছেড়েছেন জিতেন্দ্র তেওয়ারী,
একই সাথে বৃহস্পতিবারই চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্গাপুর নগর নিগমের চার নম্বর বোরো চেয়ারম্যান ও তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলার অন্যতম সাধারণ সম্পাদকের পদ ছেড়েছেন।
শুক্রবার দুর্গাপুরের সগড়ভাঙার শ্যাম মন্দিরে পাপস্খলনের পুজো দিলেন তৃণমূল কর্মীরা।
যে পুজোর আয়োজনে সামনের সারিতে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের তিন নম্বর ব্লক সভাপতি শিপুল সাহা ও স্থানীয় ২৯নম্বর ওয়ার্ডের পুরপিতা সুনীল চ্যাটার্জী মন্দিরের চারপাশে প্রদক্ষিণ করা থেকে শুরু করে পুরহিতের আশীর্বাদ নেওয়া সবটাই হল নিয়ম আচার রীতি মেনে।
কিন্তু কেন এই পাপ মুক্ত হওয়ার বার্তা? উত্তরে স্থানীয় পুরপিতা সুনীল চ্যাটার্জী বললেন, দলত্যাগীরা দল ছাড়াতে রাহুমুক্ত হল গোটা তৃণমূল কংগ্রেস, আর আরো এক পুরপিতা তথা তিন নম্বর ব্লক সভাপতি শিপুল সাহা বললেন, যারা দল ছেড়েছেন খুব ভালো হয়েছে,
আর তাই আমরা পাপস্খলনের জন্য দলীয় কর্মীদের নিয়ে ঈশ্বরের কাছে এসেছি,প্রার্থনা করলাম মুখ্যমন্ত্রীর সুস্থতা কামনা আর রইল একুশের ভোটের কথা দল নিশ্চিতভাবে ক্ষমতাতে ফিরছে।
শুক্রবার এই পুজোর আয়োজনে তৃণমূল কর্মীদের যোগদান ছিল চোখে পড়ার মতো। তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলার সহ সভাপতি উত্তম মুখোপাধ্যায় বললেন,
দলত্যাগীদের জন্য কোনো ক্ষতি হবে না, কটাক্ষের সুরে এই তৃণমূল নেতা বলেন, দলের মধ্যে বোঝা ছিল এরা, দলে থেকে উপদল করছিল এরা, দল ছাড়াতে এবার পুরোনো তৃণমূল কর্মীরা রাস্তাতে নামবে,
আর দিদি সেই জোরেই বাংলার ক্ষমতাতে আসবে। রাজনীতির সাত সতেরোর অঙ্কের হিসেব ভবিষৎ দেবে, তবে শুক্রবার নজিরবিহীন ভাবে তৃণমূল কর্মীদের এই পুজোকে ঘিরে তাদের মনোবল চাঙ্গা হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছেন।
একই সাথে বৃহস্পতিবারই চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় দুর্গাপুর নগর নিগমের চার নম্বর বোরো চেয়ারম্যান ও তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলার অন্যতম সাধারণ সম্পাদকের পদ ছেড়েছেন।
শুক্রবার দুর্গাপুরের সগড়ভাঙার শ্যাম মন্দিরে পাপস্খলনের পুজো দিলেন তৃণমূল কর্মীরা।
যে পুজোর আয়োজনে সামনের সারিতে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের তিন নম্বর ব্লক সভাপতি শিপুল সাহা ও স্থানীয় ২৯নম্বর ওয়ার্ডের পুরপিতা সুনীল চ্যাটার্জী মন্দিরের চারপাশে প্রদক্ষিণ করা থেকে শুরু করে পুরহিতের আশীর্বাদ নেওয়া সবটাই হল নিয়ম আচার রীতি মেনে।
কিন্তু কেন এই পাপ মুক্ত হওয়ার বার্তা? উত্তরে স্থানীয় পুরপিতা সুনীল চ্যাটার্জী বললেন, দলত্যাগীরা দল ছাড়াতে রাহুমুক্ত হল গোটা তৃণমূল কংগ্রেস, আর আরো এক পুরপিতা তথা তিন নম্বর ব্লক সভাপতি শিপুল সাহা বললেন, যারা দল ছেড়েছেন খুব ভালো হয়েছে,
আর তাই আমরা পাপস্খলনের জন্য দলীয় কর্মীদের নিয়ে ঈশ্বরের কাছে এসেছি,প্রার্থনা করলাম মুখ্যমন্ত্রীর সুস্থতা কামনা আর রইল একুশের ভোটের কথা দল নিশ্চিতভাবে ক্ষমতাতে ফিরছে।
শুক্রবার এই পুজোর আয়োজনে তৃণমূল কর্মীদের যোগদান ছিল চোখে পড়ার মতো। তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলার সহ সভাপতি উত্তম মুখোপাধ্যায় বললেন,
দলত্যাগীদের জন্য কোনো ক্ষতি হবে না, কটাক্ষের সুরে এই তৃণমূল নেতা বলেন, দলের মধ্যে বোঝা ছিল এরা, দলে থেকে উপদল করছিল এরা, দল ছাড়াতে এবার পুরোনো তৃণমূল কর্মীরা রাস্তাতে নামবে,
আর দিদি সেই জোরেই বাংলার ক্ষমতাতে আসবে। রাজনীতির সাত সতেরোর অঙ্কের হিসেব ভবিষৎ দেবে, তবে শুক্রবার নজিরবিহীন ভাবে তৃণমূল কর্মীদের এই পুজোকে ঘিরে তাদের মনোবল চাঙ্গা হবে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছেন।
Comments
Post a Comment