দুর্গাপুর স্টেশন বাজার থেকে এক ব্যাক্তির টাকা ছিনতাই করে পালালো দুষ্কৃতীরা।তদন্তে নামল পুলিশ।
নিউজ বেঙ্গল রাজেশ সেনগুপ্ত দুর্গাপুর= এ যেন হিন্দী সিনেমার ক্লাইম্যাক্স। যে ক্লাইম্যাক্স এর টার্নিং পয়েন্ট ছিল বৃহস্পতিবার সকাল। দুর্গাপুরের নঈমনগরের ব্যাবসায়ী এম. ডি. সৌরভ আলমকে ঘরে গিয়ে গামছা বিক্রি করতে গিয়েছিল আলম নামে নদীয়ার এক গামছা বিক্রেতা।
দুটি গামছা কেনার পর এম. ডি সৌরভ আলম ঐ গামছা বিক্রেতাকে ৫০০টাকা দেন, খুচরো টাকা নেই তাই পরে দুর্গাপুর স্টেশন বাজার পোস্ট অফিস মোড়ের কাছে এসে টাকাটা দিয়ে দেবেন। ঘুণাক্ষরে সৌরভ আলম তখনও বুঝতে পারেননি কত বড় একটা ফাঁদের মুখে সে পড়ছে। ভাঙা ড্রাম কেনা বেচা করেন এম. ডি সৌরভ আলম, সেই সূত্রেই বৃহস্পতিবার
সকালে দুর্গাপুর বাজারে আসেন তিনি, মোবাইল ফোনে টাকা দেওয়ার জন্য ডেকে নেন ঐ গামছা বিক্রেতাকে। দুর্গাপুর স্টেশন বাজার সংলগ্ন পোস্ট অফিস মোড়ের কাছে টাকা লেনদেন করার সময় হটাৎই পেছন দিক থেকে এসে সৌরভ আলমের কাছে থাকা বাজারের থলি নিয়ে পালায় ঐ দুষ্কৃতী, আর ঐ দুষ্কৃতীকে ধরার চেষ্টা করতে গিয়ে দেখেন গামছাওয়ালা উধাও।
এখন নঈমনগরের ব্যাবসায়ী এম. ডি. সৌরভ আলমের দাবী,ঐ বাজারের থলিতে ব্যাবসায়িক কাজের জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা ছিল। সাথে সাথে কোকওভেন থানার পুলিশকে সব জানানো হয়। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের কোকওভেন থানার পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে,
তবে দিনের আলোতে এত লোকসমাগমের মধ্যে যেভাবে এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলো তাতে করে বেশ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়। স্থানীয়রা বলছেন যদি দিনের আলোতে এই ঘটনা ঘটে তাহলে রাতের অন্ধকার কতটা বিপজ্জনক আমাদের জন্য তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। পুরো ঘটনার পুলিশী তদন্ত শুরু হয়েছে।
দুটি গামছা কেনার পর এম. ডি সৌরভ আলম ঐ গামছা বিক্রেতাকে ৫০০টাকা দেন, খুচরো টাকা নেই তাই পরে দুর্গাপুর স্টেশন বাজার পোস্ট অফিস মোড়ের কাছে এসে টাকাটা দিয়ে দেবেন। ঘুণাক্ষরে সৌরভ আলম তখনও বুঝতে পারেননি কত বড় একটা ফাঁদের মুখে সে পড়ছে। ভাঙা ড্রাম কেনা বেচা করেন এম. ডি সৌরভ আলম, সেই সূত্রেই বৃহস্পতিবার
সকালে দুর্গাপুর বাজারে আসেন তিনি, মোবাইল ফোনে টাকা দেওয়ার জন্য ডেকে নেন ঐ গামছা বিক্রেতাকে। দুর্গাপুর স্টেশন বাজার সংলগ্ন পোস্ট অফিস মোড়ের কাছে টাকা লেনদেন করার সময় হটাৎই পেছন দিক থেকে এসে সৌরভ আলমের কাছে থাকা বাজারের থলি নিয়ে পালায় ঐ দুষ্কৃতী, আর ঐ দুষ্কৃতীকে ধরার চেষ্টা করতে গিয়ে দেখেন গামছাওয়ালা উধাও।
এখন নঈমনগরের ব্যাবসায়ী এম. ডি. সৌরভ আলমের দাবী,ঐ বাজারের থলিতে ব্যাবসায়িক কাজের জন্য পঞ্চাশ হাজার টাকা ছিল। সাথে সাথে কোকওভেন থানার পুলিশকে সব জানানো হয়। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের কোকওভেন থানার পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে,
তবে দিনের আলোতে এত লোকসমাগমের মধ্যে যেভাবে এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলো তাতে করে বেশ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়। স্থানীয়রা বলছেন যদি দিনের আলোতে এই ঘটনা ঘটে তাহলে রাতের অন্ধকার কতটা বিপজ্জনক আমাদের জন্য তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনা। পুরো ঘটনার পুলিশী তদন্ত শুরু হয়েছে।
Comments
Post a Comment