মঙ্গলবার রাত্রি থেকে দুর্গাপুর ব্যারেজের ভাঙা লকগেট মেরামতির কাজ শুরু হচ্ছে জানালেন রাজ্যের সেচ সচিব গৌতম চ্যাটার্জী।
নিউজ বেঙ্গল রাজেশ সেনগুপ্ত দুর্গাপুর=শেষ পর্যন্ত দুর্গাপুর ব্যারেজে ভাঙা লকগেট মেরামতির কাজ মঙ্গলবার রাত্রি থেকে শুরু হচ্ছে বলে রাজ্যের সেচ সচিব গৌতম চ্যাটার্জী জানালেন।অস্থায়ী ভাবে বালির বস্তা দিয়ে জল আটকানোর কাজ শেষ হলেই রাত্রি থেকে শুরু হবে ৩১নম্বর লকগেট মেরামতির কাজ।
সুবিধার জন্য মঙ্গলবার রাত্রি দশটার পর দুর্গাপুর ব্যারেজের ওপর দিয়ে ঘন্টা তিন চারেকের জন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ করা দেওয়া হবে বলে সেচ সচিব গৌতম চ্যাটার্জী জানিয়েছেন।
অস্থায়ী ভাবে বালির বস্তা দিয়ে বাঁধ দেওয়ার কাজ শেষ হয়েছে, আটকানো সম্ভব হয়েছে জল, আর তার জেরেই এই ভাঙা লকগেটের মেরামতির কাজটা করা সম্ভব হচ্ছে বলে সেচ সচিব গৌতম চ্যাটার্জী জানিয়েছেন।
তবে লকগেটের মেরামতির কাজ শেষ হতে হতে বুধবার রাত্রি বারোটা হয়ে যাবে এরপর জল ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে,
তবে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজ শেষ করে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগের যন্ত্রনা থেকে মুক্তি দেওয়া হবে বলে রাজ্যের সেচ দফতরের এই আধিকারিক জানিয়েছেন,
সাথে বলেন, ২০১৭সালেও এক নম্বর লকগেটেও একই ঘটনা ঘটেছিল কিন্তু ৩১নম্বর লকগেট বিপর্যয়ের ঘটনা বড় ধরণের ছিল আর যার মোকাবিলা করতে বেশ হিমশিম খেতে হয়েছে তাদেরকে
কারণ এত বড় একটা নদীর গতিপথ আটকে দিয়ে কাজ শুরু করা খুব একটা সহজ কাজ নয় কিন্তু দিন রাত এক করে সেচ কর্মী আধিকারিকদের পাশাপাশি যে ঠিকা কর্মীরা কাজ করছেন তা প্রশংসার দাবী রাখে বলে সেচ সচিব গৌতম চ্যাটার্জী জানালেন। সব মিলিয়ে এখন দুর্গাপুরবাসীর দুর্ভোগ কবে মেটে সেইদিকেই তাকিয়ে সবাই।
সুবিধার জন্য মঙ্গলবার রাত্রি দশটার পর দুর্গাপুর ব্যারেজের ওপর দিয়ে ঘন্টা তিন চারেকের জন্য যানবাহন চলাচল বন্ধ করা দেওয়া হবে বলে সেচ সচিব গৌতম চ্যাটার্জী জানিয়েছেন।
অস্থায়ী ভাবে বালির বস্তা দিয়ে বাঁধ দেওয়ার কাজ শেষ হয়েছে, আটকানো সম্ভব হয়েছে জল, আর তার জেরেই এই ভাঙা লকগেটের মেরামতির কাজটা করা সম্ভব হচ্ছে বলে সেচ সচিব গৌতম চ্যাটার্জী জানিয়েছেন।
তবে লকগেটের মেরামতির কাজ শেষ হতে হতে বুধবার রাত্রি বারোটা হয়ে যাবে এরপর জল ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে,
তবে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজ শেষ করে সাধারণ মানুষকে দুর্ভোগের যন্ত্রনা থেকে মুক্তি দেওয়া হবে বলে রাজ্যের সেচ দফতরের এই আধিকারিক জানিয়েছেন,
সাথে বলেন, ২০১৭সালেও এক নম্বর লকগেটেও একই ঘটনা ঘটেছিল কিন্তু ৩১নম্বর লকগেট বিপর্যয়ের ঘটনা বড় ধরণের ছিল আর যার মোকাবিলা করতে বেশ হিমশিম খেতে হয়েছে তাদেরকে
কারণ এত বড় একটা নদীর গতিপথ আটকে দিয়ে কাজ শুরু করা খুব একটা সহজ কাজ নয় কিন্তু দিন রাত এক করে সেচ কর্মী আধিকারিকদের পাশাপাশি যে ঠিকা কর্মীরা কাজ করছেন তা প্রশংসার দাবী রাখে বলে সেচ সচিব গৌতম চ্যাটার্জী জানালেন। সব মিলিয়ে এখন দুর্গাপুরবাসীর দুর্ভোগ কবে মেটে সেইদিকেই তাকিয়ে সবাই।
Comments
Post a Comment