ধর্মঘটের জেরে উত্তপ্ত দুর্গাপুর, লাঠিচার্জের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে, রণক্ষেত্র দুর্গাপুর।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=বৃহস্পতিবার ধর্মঘটের সমর্থনে দুই নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধের জেরে উত্তপ্ত হল শহর দুর্গাপুর। ধর্মঘটের সমর্থনে হটাৎ দুর্গাপুরের নিউটাউনশীপ থানার অধীন দুই নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর হটাৎ বসে পড়ে ধর্মঘট সমর্থনকারীরা।
অবরোধ ওঠাতে গেলে প্রথম পুলিশের সাথে সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের বচসা শুরু হয়, এরপর রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় দুই নম্বর জাতীয় সড়ক। অবরোধ ওঠাতে রাজি না হলে পুলিশের সাথে সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়, এরপরই পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয় কমব্যাট ফোর্স,
অভিযোগ পুলিশ অযথা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে লাঠিচার্জ করেছে। পুলিশের সাথে এরপর কথাকাটি শুরু হয় সিপিআইএম নেতা পঙ্কজ রায় সরকারের,
কেন অযথা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে লাঠিচার্জ করা হলো এই প্রশ্ন তুলে দলীয় সমর্থকদের নিয়ে দুই নম্বর জাতীয় সড়কের দুটি লেনে অবরোধ শুরু করে দেন পঙ্কজ বাবু।
শেষে পুলিশ ৬০জনকে গআটক করে নিয়ে যায়। সিপিআইএম নেতা পঙ্কজ রায় সরকারের অভিযোগ, অযথা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ লাঠি চালালো যার হাত থেকে তিনিও বাঁচলেন না ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে তার জামাকাপড়, আঘাতও পেয়েছেন হাতে।
প্রায় তিরিশ মিনিট পর দুই নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ মুক্ত করে পুলিশ। তবে লাঠিচার্জের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।
অবরোধ ওঠাতে গেলে প্রথম পুলিশের সাথে সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের বচসা শুরু হয়, এরপর রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় দুই নম্বর জাতীয় সড়ক। অবরোধ ওঠাতে রাজি না হলে পুলিশের সাথে সিপিআইএম কর্মী সমর্থকদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়, এরপরই পরিস্থিতি সামাল দিতে নামানো হয় কমব্যাট ফোর্স,
অভিযোগ পুলিশ অযথা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে লাঠিচার্জ করেছে। পুলিশের সাথে এরপর কথাকাটি শুরু হয় সিপিআইএম নেতা পঙ্কজ রায় সরকারের,
কেন অযথা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে লাঠিচার্জ করা হলো এই প্রশ্ন তুলে দলীয় সমর্থকদের নিয়ে দুই নম্বর জাতীয় সড়কের দুটি লেনে অবরোধ শুরু করে দেন পঙ্কজ বাবু।
শেষে পুলিশ ৬০জনকে গআটক করে নিয়ে যায়। সিপিআইএম নেতা পঙ্কজ রায় সরকারের অভিযোগ, অযথা শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ লাঠি চালালো যার হাত থেকে তিনিও বাঁচলেন না ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে তার জামাকাপড়, আঘাতও পেয়েছেন হাতে।
প্রায় তিরিশ মিনিট পর দুই নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ মুক্ত করে পুলিশ। তবে লাঠিচার্জের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।
Comments
Post a Comment