মঙ্গলবার সকালে দুর্গাপুর ব্যারেজের মূল লকগেটের মেরামতির কাজ শুরু হবে বলে জানালেন রাজ্যের সেচ সচিব।
নিউজ বেঙ্গল দূর্গাপুর=দুর্গাপুর ব্যারেজের ৩১নম্বর লকগেট দিয়ে জলের স্রোত বয়েই চলেছে আর এটাই এখন মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সেচ দফতরের প্রযুক্তিবিদদের কাছে।
কারণ যতক্ষণ এই জলের স্তর না নামছে ততক্ষন লকগেটের মেরামতির কাজে হাত দিতে পারছেন না সেচ দফতরের প্রযুক্তিবিদরা।
দুর্গাপুর ব্যারেজ পরিদর্শন করে এই স্পষ্ট বার্তা দিলেন সেচ দফতরের সচিব গৌতম চট্টোপাধ্যায়। সোমবার ৩১নম্বর লকগেট পরিদর্শন করার পর সেচ দফতরের সচিব গৌতম চট্টোপাধ্যায় একপ্রস্থ আলোচনা করেন দফতরের কর্মী আধিকারিকদের সাথে,
এরপর ঘুরে দেখেন পুরো এলাকা কিন্তু সবকিছু দেখার পর রাজ্যের সেচ দফতরের সচিব গৌতম চট্টোপাধ্যায় জানান,সোমবার রাতের মধ্যে যেভাবেই হোক এই জলের স্রোতের অভিমুখ ঘুরিয়ে দিয়ে প্রারম্ভিক পর্যায়ের কাজ শেষ করে মঙ্গলবার সকাল থেকে লকগেট মেরামতির কাজে হাত দেবেন তারা,
আর এই ৩১নম্বর লকগেট নিচুর দিকে থাকাতে জলের স্রোতের গতিপথের অভিমুখ ঘোরাতে সমস্যা তৈরী হচ্ছে।রাজ্য সেচ দফতরের আধিকারিক গৌতম চট্টোপাধ্যায় জানান,আমরা আশা করছি মঙ্গলবার সন্ধ্যের মধ্যে আমরা ভালো খবর দিতে পারবো,
আর তার আগে আমরা প্রারম্ভিক পর্যায়ের কাজে হাত দিয়ে দিয়েছি যাতে করে সময় যেন আর নষ্ট না হয়। এখন দেখার বিষয় মঙ্গলবার কোন পথে যায় লকগেট মেরামতির কাজ, কারণ এর ওপর নির্ভর করছে অনেক কিছু।
কারণ যতক্ষণ এই জলের স্তর না নামছে ততক্ষন লকগেটের মেরামতির কাজে হাত দিতে পারছেন না সেচ দফতরের প্রযুক্তিবিদরা।
দুর্গাপুর ব্যারেজ পরিদর্শন করে এই স্পষ্ট বার্তা দিলেন সেচ দফতরের সচিব গৌতম চট্টোপাধ্যায়। সোমবার ৩১নম্বর লকগেট পরিদর্শন করার পর সেচ দফতরের সচিব গৌতম চট্টোপাধ্যায় একপ্রস্থ আলোচনা করেন দফতরের কর্মী আধিকারিকদের সাথে,
এরপর ঘুরে দেখেন পুরো এলাকা কিন্তু সবকিছু দেখার পর রাজ্যের সেচ দফতরের সচিব গৌতম চট্টোপাধ্যায় জানান,সোমবার রাতের মধ্যে যেভাবেই হোক এই জলের স্রোতের অভিমুখ ঘুরিয়ে দিয়ে প্রারম্ভিক পর্যায়ের কাজ শেষ করে মঙ্গলবার সকাল থেকে লকগেট মেরামতির কাজে হাত দেবেন তারা,
আর এই ৩১নম্বর লকগেট নিচুর দিকে থাকাতে জলের স্রোতের গতিপথের অভিমুখ ঘোরাতে সমস্যা তৈরী হচ্ছে।রাজ্য সেচ দফতরের আধিকারিক গৌতম চট্টোপাধ্যায় জানান,আমরা আশা করছি মঙ্গলবার সন্ধ্যের মধ্যে আমরা ভালো খবর দিতে পারবো,
আর তার আগে আমরা প্রারম্ভিক পর্যায়ের কাজে হাত দিয়ে দিয়েছি যাতে করে সময় যেন আর নষ্ট না হয়। এখন দেখার বিষয় মঙ্গলবার কোন পথে যায় লকগেট মেরামতির কাজ, কারণ এর ওপর নির্ভর করছে অনেক কিছু।
Comments
Post a Comment