ধাপে ধাপে দুর্গাপুর ব্যারেজের ৩৪টি লকগেট পরিবর্তন করে দেওয়া হবে জানালেন, সেচ দফতরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার জয়ন্ত দাস। ভাসমান গেট লেগে যাওয়ায় এবার স্বাভাবিক হতে চলেছে দুর্গাপুরের পানীয় জল পরিষেবা।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=শুক্রবার দুপুর ১টা বেজে ৪৫মিনিট, শেষ হল ৩১নম্বর লকগেটের কাছে ভাসমান লকগেট লাগানোর কাজ। স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললো সেচ দফতরের আধিকারিকরা।শুক্রবার সকালে দুর্গাপুর ব্যারেজের ১৪নম্বর গেট থেকে ভাসমান লকগেটটিকে ৩১নম্বর লকগেটের কাছে নিয়ে আসা হয়।
সেচ দফতরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার(ওয়েস্ট)জয়ন্ত দাস জানালেন, এবার ২০৫ পয়েন্টে জলের স্তর পৌঁছলেই জল ঢুকবে ফিডার ক্যানেলে স্বাভাবিক হবে দুর্গাপুরে পানীয় জল পরিষেবা। সেচ দফতরের এই অধিকারিক জানিয়েছেন, এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ঠিক হয়েছে এক দুটি নয় দুর্গাপুর ব্যারেজের ৩৪টি লকগেটই ধাপে ধাপে বদলে ফেলা হবে,
যাতে করে আর এই ধরণের অভিজ্ঞতার শিকার না হতে হয়,কারণ একটা বড় নদীকে বেঁধে রেখে গেট মেরামতির কাজ করা সেটা কিন্তু খুব একটা সহজ কাজ ছিল না, দিন রাত এক করে একটা টিম ওয়ার্ক এই কাজে দেরিতে হলেও সাফল্য আনলো।
এখন দুর্গাপুর ব্যারেজে জলের ধারা বইছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের একটাই প্রশ্ন কবে পাবো জল? ফিডার ক্যানেলে জল চলে এলেও সেই জল পরিশোধন করে ঘরে ঘরে পৌঁছতে শনিবার সকাল হয়ে যাবে বলে দুর্গাপুর নগর নিগমের জল বিভাগের মেয়র পরিষদ পবিত্র চ্যাটার্জী জানিয়েছেন,
শুক্রবার শহর দুর্গাপুরে জলের যে সঙ্কট রয়েছে তা মোকাবিলায় পুরসভা প্রস্তুত রয়েছে বলে পবিত্র বাবু জানিয়েছেন। এখন শহরবাসীর অপেক্ষা কখন স্বাভাবিক হয় পানীয় জলের পরিষেবা।
আর সময় বলবে ধাপে ধাপে লকগেট পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কবে কার্যকর হয়, কারণ ২০১৭সালে এক নম্বর লকগেট ভাঙার পরও ছিল একই প্রতিশ্রুতির ঘোষণা কিন্তু ২০২০সালে সেই একই বিপর্যয়ের ছবি দেখতে হল দুর্গাপুরের মানুষকে।
সেচ দফতরের চিফ ইঞ্জিনিয়ার(ওয়েস্ট)জয়ন্ত দাস জানালেন, এবার ২০৫ পয়েন্টে জলের স্তর পৌঁছলেই জল ঢুকবে ফিডার ক্যানেলে স্বাভাবিক হবে দুর্গাপুরে পানীয় জল পরিষেবা। সেচ দফতরের এই অধিকারিক জানিয়েছেন, এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে ঠিক হয়েছে এক দুটি নয় দুর্গাপুর ব্যারেজের ৩৪টি লকগেটই ধাপে ধাপে বদলে ফেলা হবে,
যাতে করে আর এই ধরণের অভিজ্ঞতার শিকার না হতে হয়,কারণ একটা বড় নদীকে বেঁধে রেখে গেট মেরামতির কাজ করা সেটা কিন্তু খুব একটা সহজ কাজ ছিল না, দিন রাত এক করে একটা টিম ওয়ার্ক এই কাজে দেরিতে হলেও সাফল্য আনলো।
এখন দুর্গাপুর ব্যারেজে জলের ধারা বইছে, কিন্তু সাধারণ মানুষের একটাই প্রশ্ন কবে পাবো জল? ফিডার ক্যানেলে জল চলে এলেও সেই জল পরিশোধন করে ঘরে ঘরে পৌঁছতে শনিবার সকাল হয়ে যাবে বলে দুর্গাপুর নগর নিগমের জল বিভাগের মেয়র পরিষদ পবিত্র চ্যাটার্জী জানিয়েছেন,
শুক্রবার শহর দুর্গাপুরে জলের যে সঙ্কট রয়েছে তা মোকাবিলায় পুরসভা প্রস্তুত রয়েছে বলে পবিত্র বাবু জানিয়েছেন। এখন শহরবাসীর অপেক্ষা কখন স্বাভাবিক হয় পানীয় জলের পরিষেবা।
আর সময় বলবে ধাপে ধাপে লকগেট পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত কবে কার্যকর হয়, কারণ ২০১৭সালে এক নম্বর লকগেট ভাঙার পরও ছিল একই প্রতিশ্রুতির ঘোষণা কিন্তু ২০২০সালে সেই একই বিপর্যয়ের ছবি দেখতে হল দুর্গাপুরের মানুষকে।
Comments
Post a Comment