শহর দুর্গাপুরে পানীয় জলের সঙ্কট মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক সারলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলা প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকরা।দুর্গাপুর ব্যারেজ পরিদর্শণ করে জেলা শাসক পূর্ণেন্দু মাজি পানীয় জলের সঙ্কট মেটাতে বেশ কিছু পরিকল্পনার কথা জানালেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক পূর্ণেন্দু মাজি।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=সোমবার দুর্গাপুর নগর নিগম গুরুত্বপূর্ণ একটি বৈঠকে বসেছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলা প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকরা। সোমবারের এই বৈঠকে ছিলেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক পূর্ণেন্দু মাজি, দুর্গাপুর নগর নিগমের মেয়র দিলীপ অগস্তি, আসানসোল দুর্গাপুর উন্নয়ন পর্ষদের আধিকারিকরা ছিলেন জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের কর্তারা,
সাথে ছিলেন পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা। বৈঠকে ঠিক হয়েছে পানীয় জলের সঙ্কট মেটাতে একশোটি টাঙ্কি যাদের জলধারনের ক্ষমতা ৩০০০লিটার করে, তাদের পর্যায়ক্রমে তিন থেকে চারবার করে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় জল সরবরাহ করাবেন তাতে করে পরিস্থিতি অনেকটা ভালো হবে বলে পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক পূর্ণেন্দু মাজি জানালেন,
একই সাথে জেলা প্রশাসনের এই পদস্থ আধিকারিক জানান, জনস্বাস্হ্য কারিগরি দফতরের আধিকারিকরা তাকে জানিয়েছেন, পানীয় জলের সঙ্কট মোকাবিলায় প্রতিদিন তারা পাঁচ লক্ষ জলের পাউচ সরবরাহ করবেন।
এই সিস্টেম চলতে থাকলে দুর্গাপুরবাসীর জলের সঙ্কট অনেকটা মোকাবিলা করা সম্ভব হবে বলে পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক পূর্ণেন্দু মাজি জানিয়েছেন।
এখনই শিল্পের জন্য কোনো জলের সমস্যা নেই বলে সংস্থার প্রতিনিধিরা জেলা প্রশাসনকে জানিয়েছেন, তবে কোনো সংস্থার জল প্রয়োজন হলে জেলা প্রশাসন সেই জলও পৌঁছে দেবে বলে পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক পূর্ণেন্দু মাজি জানিয়েছেন,
শুধু শিল্প সংস্থা নয়, শহরের যেকোনো প্রান্তে জলের প্রয়োজন হলে পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসন সেই অবস্থার মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত বলে জেলা প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন।
সাথে ছিলেন পুলিশ প্রশাসনের আধিকারিকরা। বৈঠকে ঠিক হয়েছে পানীয় জলের সঙ্কট মেটাতে একশোটি টাঙ্কি যাদের জলধারনের ক্ষমতা ৩০০০লিটার করে, তাদের পর্যায়ক্রমে তিন থেকে চারবার করে নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় জল সরবরাহ করাবেন তাতে করে পরিস্থিতি অনেকটা ভালো হবে বলে পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক পূর্ণেন্দু মাজি জানালেন,
একই সাথে জেলা প্রশাসনের এই পদস্থ আধিকারিক জানান, জনস্বাস্হ্য কারিগরি দফতরের আধিকারিকরা তাকে জানিয়েছেন, পানীয় জলের সঙ্কট মোকাবিলায় প্রতিদিন তারা পাঁচ লক্ষ জলের পাউচ সরবরাহ করবেন।
এই সিস্টেম চলতে থাকলে দুর্গাপুরবাসীর জলের সঙ্কট অনেকটা মোকাবিলা করা সম্ভব হবে বলে পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক পূর্ণেন্দু মাজি জানিয়েছেন।
এখনই শিল্পের জন্য কোনো জলের সমস্যা নেই বলে সংস্থার প্রতিনিধিরা জেলা প্রশাসনকে জানিয়েছেন, তবে কোনো সংস্থার জল প্রয়োজন হলে জেলা প্রশাসন সেই জলও পৌঁছে দেবে বলে পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক পূর্ণেন্দু মাজি জানিয়েছেন,
শুধু শিল্প সংস্থা নয়, শহরের যেকোনো প্রান্তে জলের প্রয়োজন হলে পশ্চিম বর্ধমান জেলা প্রশাসন সেই অবস্থার মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত বলে জেলা প্রশাসনের পদস্থ আধিকারিকরা জানিয়েছেন।
Comments
Post a Comment