অভিশপ্ত সংখ্যা ৩১। দুর্গাপুর ব্যারেজের ৩১নম্বর লকগেট ভেঙে যাওয়াতে বিপত্তি, আর এর জেরে সোমবার সকালে জলের দাবীতে পুরমাতার স্বামীকে ঘিরে ধরে মহিলাদের ক্ষোভ প্রকাশ, আর সেই সংখ্যাও সেই ৩১।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=অভিশপ্ত সেই ৩১নম্বর লকগেট, দুর্গাপুর ব্যারেজের এই লকগেট ভেঙে যাওয়াতে চরম বিপত্তি, শনিবার ভোরে এই বিপর্যয় ঘটলেও সোমবার বিকেল গড়িয়ে যেতে পারে সেই গেট মেরামতি করতে।
এইদিকে এই বিপত্তিতে দুর্গাপুর শহর জুড়ে শুরু হয়েছে চরম জলসঙ্কট, আবার এই ক্ষেত্রেও সেই অভিশপ্ত সংখ্যা ৩১। নগর নিগমের ৩১নম্বর ওয়ার্ডের মহিলারা জলের দাবীতে স্থানীয় পুরমাতা বর্ণালী দাসের স্বামী পার্থসারথি দাসকে ঘিরে ধরে প্রবল ক্ষোভ প্রকাশ করলেন সোমবার,
এদের অভিযোগ, সব এলাকায় নগর নিগমের জলের টাঙ্কি পৌঁছলেও লেবারহাট দাস পাড়ায় বারবার বলা সত্ত্বেও পৌঁছয়নি জপের ট্যাংক আর এর জেরে নির্জলা রয়ে গেছে গোটা এলাকা, অবিলম্বে জলের টাঙ্কি পাঠানো হবে এই প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পর শান্ত হয় উত্তেজিত মহিলারা।
এইদিকে ব্যারেজের লকগেট মেরামতির কাজ ধীর গতিতে চলাতে গোটা দুর্গাপুর শহর জুড়ে ব্যাপক জলসঙ্কট শুরু হয়েছে, জল নেওয়ার জন্য লম্বা লাইনের সেই ২০১৭সালের অভিজ্ঞতা ফের চাক্ষুষ করছে ডক্টর বিধান চন্দ্র রায়ের স্বপ্নের শহর দুর্গাপুরের মানুষ,
পরিস্থিতি মোকাবিলায় দুর্গাপুর নগর নিগম জলের ট্যাঙ্কার জায়গায় জায়গায় পাঠিয়ে জল সঙ্কট মেটানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু লকগেট মেরামতির কাজ যে গতিতে চলছে কতক্ষন এই অবস্থার মোকাবিলা করা সম্ভব হবে সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।ইতিমধ্যে এই সঙ্কট মেটাতে দুর্গাপুর নগর নিগমের চার নম্বর বোরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বস্তি এলাকাগুলিতে জলের পাউচ পৌঁছে দিছেন,
একই সাথে শহরের বাকি ওয়ার্ডের বস্তি এলাকাগুলিতে জলের পাউচ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করছে দুর্গাপুর নগর নিগম। কিন্তু যতক্ষণ না দুর্গাপুর ব্যারেজের লকগেটের মেরামতির কাজ শুরু না হচ্ছে ততক্ষন এই পরিস্থিতি ধাপে ধাপে আরো ভয়াবহ হতে থাকবে।
আসানসোল ও বাঁকুড়া জেলা থেকে জলের ট্যাঙ্কার এনে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা চালানো হচ্ছে কিন্তু এতেও জলের সঙ্কট কতটা মোকাবিলা করা যাবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।সব মিলিয়ে শনিবার দুর্গাপুর ব্যারেজের ৩১নম্বর লকগেট ভেঙে যাওয়াতে বিপত্তি আবার সেই অভিশপ্ত ৩১নম্বর ওয়ার্ড,
যেখানে জলের জলের দাবীতে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ, আর সংখ্যাটা সেই অভিশপ্ত ৩১।
এইদিকে এই বিপত্তিতে দুর্গাপুর শহর জুড়ে শুরু হয়েছে চরম জলসঙ্কট, আবার এই ক্ষেত্রেও সেই অভিশপ্ত সংখ্যা ৩১। নগর নিগমের ৩১নম্বর ওয়ার্ডের মহিলারা জলের দাবীতে স্থানীয় পুরমাতা বর্ণালী দাসের স্বামী পার্থসারথি দাসকে ঘিরে ধরে প্রবল ক্ষোভ প্রকাশ করলেন সোমবার,
এদের অভিযোগ, সব এলাকায় নগর নিগমের জলের টাঙ্কি পৌঁছলেও লেবারহাট দাস পাড়ায় বারবার বলা সত্ত্বেও পৌঁছয়নি জপের ট্যাংক আর এর জেরে নির্জলা রয়ে গেছে গোটা এলাকা, অবিলম্বে জলের টাঙ্কি পাঠানো হবে এই প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পর শান্ত হয় উত্তেজিত মহিলারা।
এইদিকে ব্যারেজের লকগেট মেরামতির কাজ ধীর গতিতে চলাতে গোটা দুর্গাপুর শহর জুড়ে ব্যাপক জলসঙ্কট শুরু হয়েছে, জল নেওয়ার জন্য লম্বা লাইনের সেই ২০১৭সালের অভিজ্ঞতা ফের চাক্ষুষ করছে ডক্টর বিধান চন্দ্র রায়ের স্বপ্নের শহর দুর্গাপুরের মানুষ,
পরিস্থিতি মোকাবিলায় দুর্গাপুর নগর নিগম জলের ট্যাঙ্কার জায়গায় জায়গায় পাঠিয়ে জল সঙ্কট মেটানোর চেষ্টা করছে, কিন্তু লকগেট মেরামতির কাজ যে গতিতে চলছে কতক্ষন এই অবস্থার মোকাবিলা করা সম্ভব হবে সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।ইতিমধ্যে এই সঙ্কট মেটাতে দুর্গাপুর নগর নিগমের চার নম্বর বোরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বস্তি এলাকাগুলিতে জলের পাউচ পৌঁছে দিছেন,
একই সাথে শহরের বাকি ওয়ার্ডের বস্তি এলাকাগুলিতে জলের পাউচ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করছে দুর্গাপুর নগর নিগম। কিন্তু যতক্ষণ না দুর্গাপুর ব্যারেজের লকগেটের মেরামতির কাজ শুরু না হচ্ছে ততক্ষন এই পরিস্থিতি ধাপে ধাপে আরো ভয়াবহ হতে থাকবে।
আসানসোল ও বাঁকুড়া জেলা থেকে জলের ট্যাঙ্কার এনে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা চালানো হচ্ছে কিন্তু এতেও জলের সঙ্কট কতটা মোকাবিলা করা যাবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।সব মিলিয়ে শনিবার দুর্গাপুর ব্যারেজের ৩১নম্বর লকগেট ভেঙে যাওয়াতে বিপত্তি আবার সেই অভিশপ্ত ৩১নম্বর ওয়ার্ড,
যেখানে জলের জলের দাবীতে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ, আর সংখ্যাটা সেই অভিশপ্ত ৩১।
Comments
Post a Comment