কার অনুগামী আমি সেটা প্রমান করতে বুকে পিঠে স্লেট পোস্টার নিয়ে ঘুরতে পারবো না আমি, মন্তব্য চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=আমি শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামী না অন্য কারোর অনুগামী এটা প্রমান করতে বুকে পিঠে পোস্টার আর স্লেট নিয়ে ঘুরতে পারবো না সাফ জবাব দুর্গাপুর নগর নিগমের চার নম্বর বোরো চেয়ারমান তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
শুক্রবার বিকেলে দুর্গাপুরের দামোদর বিসর্জন ঘাটে ছট পুজোর মঞ্চে একই সাথে বসেছিলেন রাঢ় বঙ্গের বিজেপি পর্যবেক্ষক রাজু ব্যানার্জী, পশ্চিম বর্ধমান জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ দত্ত আর মাঝে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলার সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়।
যে ছবিকে ঘিরে জন্ম নেয় জল্পনার, তাহলে কি নন্দীগ্রামের বিদ্রোহের সুর দামোদরে আছড়ে পড়লো এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে যখন ব্যাস্ত রাজনৈতিক মহল, তখন ফের জোরের সাথে দাবী করে দুর্গাপুর নগর নিগমের চার নম্বর বোরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন,
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন জননেত্রী আর রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আমার প্রিয় নেতা, ব্যাক্তিগত সম্পর্কে আমরা দাদা ভাই, এতে কেউ যদি ঘোলাজলে মাছ ধরে আনন্দ পেতে চাই পাক, আমি কার অনুগামী এটা প্রমান করতে বুকে পিঠে পোস্টার সাঁটিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারবো না তাতে যে যা কিছু জল্পনা করুক অসুবিধে নেই।
শুক্রবার দামোদর বিসর্জন ঘাটে ছট পুজোর অনুষ্ঠানে বিজেপির রাঢ় বঙ্গের পর্যবেক্ষক রাজু ব্যানার্জীর সাথে একই মঞ্চে বসে জল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছিলেন পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়,
শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে দুর্গাপুর নগর নিগমের চার নম্বর বোরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুক্তি ছিল রাজনৈতিক সৌজন্যতা দেখিয়েছেন এর চেয়ে বেশী কিছু নয়, কিন্তু এত কিছুর পরও বিদ্রোহের সুর সপ্তমে থাকা শুভেন্দু অধিকারী অনুগামী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কি জল্পনার জাল থেকে বেড়িয়ে আসতে পারবেন? সময়ই হয়তো সেই প্রশ্নের উত্তর দেবে।
শুক্রবার বিকেলে দুর্গাপুরের দামোদর বিসর্জন ঘাটে ছট পুজোর মঞ্চে একই সাথে বসেছিলেন রাঢ় বঙ্গের বিজেপি পর্যবেক্ষক রাজু ব্যানার্জী, পশ্চিম বর্ধমান জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ দত্ত আর মাঝে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের পশ্চিম বর্ধমান জেলার সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়।
যে ছবিকে ঘিরে জন্ম নেয় জল্পনার, তাহলে কি নন্দীগ্রামের বিদ্রোহের সুর দামোদরে আছড়ে পড়লো এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে যখন ব্যাস্ত রাজনৈতিক মহল, তখন ফের জোরের সাথে দাবী করে দুর্গাপুর নগর নিগমের চার নম্বর বোরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন,
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হলেন জননেত্রী আর রাজ্যের মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী আমার প্রিয় নেতা, ব্যাক্তিগত সম্পর্কে আমরা দাদা ভাই, এতে কেউ যদি ঘোলাজলে মাছ ধরে আনন্দ পেতে চাই পাক, আমি কার অনুগামী এটা প্রমান করতে বুকে পিঠে পোস্টার সাঁটিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারবো না তাতে যে যা কিছু জল্পনা করুক অসুবিধে নেই।
শুক্রবার দামোদর বিসর্জন ঘাটে ছট পুজোর অনুষ্ঠানে বিজেপির রাঢ় বঙ্গের পর্যবেক্ষক রাজু ব্যানার্জীর সাথে একই মঞ্চে বসে জল্পনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছিলেন পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়,
শনিবার সাংবাদিক সম্মেলন করে দুর্গাপুর নগর নিগমের চার নম্বর বোরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুক্তি ছিল রাজনৈতিক সৌজন্যতা দেখিয়েছেন এর চেয়ে বেশী কিছু নয়, কিন্তু এত কিছুর পরও বিদ্রোহের সুর সপ্তমে থাকা শুভেন্দু অধিকারী অনুগামী চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় কি জল্পনার জাল থেকে বেড়িয়ে আসতে পারবেন? সময়ই হয়তো সেই প্রশ্নের উত্তর দেবে।
Comments
Post a Comment