বিস্ফোরক না অন্য কোনো রহস্য? কিভাবে মৃত্যু হল ডিপিএলের ঠিকা কর্মীর? মঙ্গলবার ভয়ঙ্কর এই ঘটনার উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত দাবী করলেন শ্রমিক নেতা বিশ্বনাথ পারিয়াল। বিস্ফোরকের তথ্য উড়িয়ে দিলেন না ডিপিএল আধিকারিক।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=মঙ্গলবার সকাল ১১টা বেজে দশ মিনিট,বিস্ফোরণের প্রবল এক শব্দে হটাৎ কেঁপে ওঠে দুর্গাপুরের কোকওভেন থানার অন্তর্গত ডিপিএলের ৭নম্বর ইউনিটের কনস্ট্রাকশন গেট চত্বর। তখন প্লান্টে ঢোকার গেটের ঠিক একটু দূরে তখন যন্ত্রনায় ছটফট করছেন কর্মরত নিরাপত্তাকর্মী বাম রুইদাস,
তাকে তড়িঘড়ি আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয় বেসরকারী হাসপাতালে। ঠিক একটু পড়ে দেখতে পাওয়া যায় ওমপ্রকাশ চৌহান নামে বছর ২৬এর এক ঠিকা কর্মীর দেহ তখন ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেটের ঠিক একটু দূরে বাগানের ভেতরে পড়ে রয়েছে। কিন্তু কিভাবে ঘটলো এই দুর্ঘটনা?
উঠে এল বিস্ফোরণের তত্ত্ব, কারণ বিদ্যুৎ সংক্রান্ত যদি কোনো ঘটনা ঘটতো তাহলে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যেত না ঠিকা কর্মীর মৃতদেহ, এমনটাই দাবী করলেন ডিপিএলের পাওয়ার প্লান্টের জেনারেল ম্যানেজার গোপীনাথ মাজি, ডিপিএলের এই আধিকারিক জানিয়ে দেন
এই দুর্ঘটনার তদন্ত করুক পুলিশ তাহলেই বেড়িয়ে আসবে আসল ঘটনা। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে ছুটে আসে কোকওভেন থানার পুলিশ, ছুটে আসেন আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের পদস্থ আধিকারিকরা, ছুটে আসেন আই. এন. টি. টি. ইউ. সি পশ্চিম বর্ধমানের সভাপতি বিশ্বনাথ পারিয়াল, কথা বলেন ডিপিএল আধিকারিক ও কর্মীদের সাথে,
বিস্ফোরণের তত্ত্ব উড়িয়ে দেননি এই শ্রমিক নেতা, উল্টে ডিপিএলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবী জানান বিধায়ক তথা তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক নেতা বিশ্বনাথ পারিয়াল। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকরাও ছুটে আসেন ডিপিএল সাত নম্বর কনস্ট্রাকশন গেটের ভেতর।
মঙ্গলবারের এই ঘটনায় এখন বেশ আতঙ্কিত এখন শ্রমিকরা। মঙ্গলবারের এই দুর্ঘটনায় প্রশ্ন উঠল ডিপিএলের নিরাপত্তা নিয়ে। ডিপিএলের আধিকারিকদের দাবীমাফিক যদি এটি রহস্যময় ঘটনা হয় তাহলে এই রহস্যটা কি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এখন পুলিশি তদন্তেই মিলবে ঠিক কি ঘটনা ঘটেছিলো। দুর্গাপুর ব্যারাজের লকগেট বিপত্তির মধ্যে ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন চাপা আতঙ্ক শহর দুর্গাপুর জুড়ে।
তাকে তড়িঘড়ি আশঙ্কাজনক অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয় বেসরকারী হাসপাতালে। ঠিক একটু পড়ে দেখতে পাওয়া যায় ওমপ্রকাশ চৌহান নামে বছর ২৬এর এক ঠিকা কর্মীর দেহ তখন ছিন্ন ভিন্ন হয়ে গেটের ঠিক একটু দূরে বাগানের ভেতরে পড়ে রয়েছে। কিন্তু কিভাবে ঘটলো এই দুর্ঘটনা?
উঠে এল বিস্ফোরণের তত্ত্ব, কারণ বিদ্যুৎ সংক্রান্ত যদি কোনো ঘটনা ঘটতো তাহলে ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যেত না ঠিকা কর্মীর মৃতদেহ, এমনটাই দাবী করলেন ডিপিএলের পাওয়ার প্লান্টের জেনারেল ম্যানেজার গোপীনাথ মাজি, ডিপিএলের এই আধিকারিক জানিয়ে দেন
এই দুর্ঘটনার তদন্ত করুক পুলিশ তাহলেই বেড়িয়ে আসবে আসল ঘটনা। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলে ছুটে আসে কোকওভেন থানার পুলিশ, ছুটে আসেন আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের পদস্থ আধিকারিকরা, ছুটে আসেন আই. এন. টি. টি. ইউ. সি পশ্চিম বর্ধমানের সভাপতি বিশ্বনাথ পারিয়াল, কথা বলেন ডিপিএল আধিকারিক ও কর্মীদের সাথে,
বিস্ফোরণের তত্ত্ব উড়িয়ে দেননি এই শ্রমিক নেতা, উল্টে ডিপিএলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবী জানান বিধায়ক তথা তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক নেতা বিশ্বনাথ পারিয়াল। আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের আধিকারিকরাও ছুটে আসেন ডিপিএল সাত নম্বর কনস্ট্রাকশন গেটের ভেতর।
মঙ্গলবারের এই ঘটনায় এখন বেশ আতঙ্কিত এখন শ্রমিকরা। মঙ্গলবারের এই দুর্ঘটনায় প্রশ্ন উঠল ডিপিএলের নিরাপত্তা নিয়ে। ডিপিএলের আধিকারিকদের দাবীমাফিক যদি এটি রহস্যময় ঘটনা হয় তাহলে এই রহস্যটা কি তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
এখন পুলিশি তদন্তেই মিলবে ঠিক কি ঘটনা ঘটেছিলো। দুর্গাপুর ব্যারাজের লকগেট বিপত্তির মধ্যে ভয়াবহ এই বিস্ফোরণের ঘটনায় এখন চাপা আতঙ্ক শহর দুর্গাপুর জুড়ে।
Comments
Post a Comment