জলশূন্য খোদ দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডের প্রশাসনিক ভবন, ইউনিয়নের দাবী মেনে মহিলা কর্মীদের দিয়ে দেওয়া হল ছুটি। এইভাবে চলতে থাকলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছে তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।
নিউজ বেঙ্গল রাজেশ সেনগুপ্ত দুর্গাপুর=দামোদর নদের ৩১নম্বর লকগেট ভেঙে বিপত্তি, সোমবার সকাল থেকে শুরু হয়ে গেছে শহর দুর্গাপুরে জল সঙ্কট এবার সেই আঁচ এসে পড়লো রাজ্য সরকারের অধীনস্থ সংস্থা ডিপিএলে।
রবিবার থেকে যে জল সঙ্কট শুরু হয়েছিল তা চরমে পৌঁছোয় সোমবার। এইদিন দুপুর থেকে খোদ দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডের প্রশাসনিক ভবন এক্কেবারে জল শূন্য হয়ে পড়লো। এই প্রশাসনিক ভবনে পঞ্চাশ থেকে ষাট জনের মতো মহিলা কর্মী কাজ করেন,
আর গোটা প্রশাসনিক ভবনের কর্মী সংখ্যা দেড়শোর মতো। তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আই. এন. টি. ইউ. সির ডিপিএল শাখার সম্পাদক উজ্জ্বল দাস জানান, আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলাম যেহুতু প্রশাসনিক ভবন জল শূন্য সেহুতু মহিলাদের ছেড়ে দেওয়া হোক সেই দাবী মেনে কর্তৃপক্ষ প্রশাসনিক ভবনের মহিলা কর্মীদের ছুটি দিয়ে দেন সোমবার,
তবে লকগেট ঠিক হতে যদি আরো সময় নেয় তাহলে পরিস্থিতি সবটাই আমরা ঈশ্বরের ওপর ছেড়ে দিয়েছি কারণ এক দুই দিন চালিয়ে দেওয়া যাবে এরপর কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে একটা বড় সমস্যা আসবে। দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডের জনসংযোগ আধিকারিক স্বাগতা মিত্র প্রশাসনিক ভবনের জলশূন্যতার কথা স্বীকার করে নেন,
একই সাথে বলেন, আমরা মহিলা কর্মীদের অসুবিধার জন্য আজকের দিনের মতো অফিস ছাড়তে বলেছি, তবে জলের জন্য শহর দুর্গাপুর নিষ্প্রদীপ হবে না বলে এইদিন সংস্থার এই আধিকারিক জানান, বলেন গ্রিড মারফত বিদ্যুৎ এনে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা হবে, আর এরপর সবটাই ঈশ্বরের ওপর ভরসা ছাড়া কিছু করার নেই,
কারণ দামোদরে জল না এলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে পুরো পরিষেবা। এইদিকে ডিপিএললের মহিলা কর্মীরা জানালেন, জল না থাকতে প্রচুর সমস্যা হচ্ছিল, বাধ্য হয়ে তারা অফিস ছাড়ছেন কারণ পানীয় জল থাকলেও বাথরুমে জল না থাকায় সমস্যা বাড়ছিল।
আপাততঃ জলের একটি টাঙ্কি দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করা হচ্ছে, আর এরপর যদি লকগেট মেরামতিতে গতি না আসে তাহলে দুর্গাপুর নগর নিগমের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হবে বলে দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডের জনসংযোগ আধিকারিক স্বাগতা মিত্র জানিয়েছেন।
রবিবার থেকে যে জল সঙ্কট শুরু হয়েছিল তা চরমে পৌঁছোয় সোমবার। এইদিন দুপুর থেকে খোদ দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডের প্রশাসনিক ভবন এক্কেবারে জল শূন্য হয়ে পড়লো। এই প্রশাসনিক ভবনে পঞ্চাশ থেকে ষাট জনের মতো মহিলা কর্মী কাজ করেন,
আর গোটা প্রশাসনিক ভবনের কর্মী সংখ্যা দেড়শোর মতো। তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন আই. এন. টি. ইউ. সির ডিপিএল শাখার সম্পাদক উজ্জ্বল দাস জানান, আমরা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিলাম যেহুতু প্রশাসনিক ভবন জল শূন্য সেহুতু মহিলাদের ছেড়ে দেওয়া হোক সেই দাবী মেনে কর্তৃপক্ষ প্রশাসনিক ভবনের মহিলা কর্মীদের ছুটি দিয়ে দেন সোমবার,
তবে লকগেট ঠিক হতে যদি আরো সময় নেয় তাহলে পরিস্থিতি সবটাই আমরা ঈশ্বরের ওপর ছেড়ে দিয়েছি কারণ এক দুই দিন চালিয়ে দেওয়া যাবে এরপর কিন্তু বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষেত্রে একটা বড় সমস্যা আসবে। দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডের জনসংযোগ আধিকারিক স্বাগতা মিত্র প্রশাসনিক ভবনের জলশূন্যতার কথা স্বীকার করে নেন,
একই সাথে বলেন, আমরা মহিলা কর্মীদের অসুবিধার জন্য আজকের দিনের মতো অফিস ছাড়তে বলেছি, তবে জলের জন্য শহর দুর্গাপুর নিষ্প্রদীপ হবে না বলে এইদিন সংস্থার এই আধিকারিক জানান, বলেন গ্রিড মারফত বিদ্যুৎ এনে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা হবে, আর এরপর সবটাই ঈশ্বরের ওপর ভরসা ছাড়া কিছু করার নেই,
কারণ দামোদরে জল না এলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে পুরো পরিষেবা। এইদিকে ডিপিএললের মহিলা কর্মীরা জানালেন, জল না থাকতে প্রচুর সমস্যা হচ্ছিল, বাধ্য হয়ে তারা অফিস ছাড়ছেন কারণ পানীয় জল থাকলেও বাথরুমে জল না থাকায় সমস্যা বাড়ছিল।
আপাততঃ জলের একটি টাঙ্কি দিয়ে পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করা হচ্ছে, আর এরপর যদি লকগেট মেরামতিতে গতি না আসে তাহলে দুর্গাপুর নগর নিগমের কাছে সহযোগিতা চাওয়া হবে বলে দুর্গাপুর প্রজেক্ট লিমিটেডের জনসংযোগ আধিকারিক স্বাগতা মিত্র জানিয়েছেন।
Comments
Post a Comment