বালির বস্তা দিয়ে বাঁধ দেওয়ার কাজটা কিছুটা স্যান্ড আর্টিস্টদের মতো কাজ করেছেন রাজ্যের সেচ দফতরের কর্মীরা, মন্তব্য বর্ধমান দুর্গাপুরের সাংসদ সুরিন্দর সিংহ আলুওয়ালিয়ার।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=দুর্গাপুর ব্যারেজে লকগেট মেরামতি করতে গিয়ে রাজ্যের সেচ দফতরের কর্মী আধিকারিকরা স্যান্ড আর্টিস্টদের মতো কাজ করলেন।
দামোদর নদের জলের যে তোড় ছিল তা বালির বস্তা দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করার অর্থ হাওয়াতে বাঁধ দেওয়া ঠিক যেইরকম পুরীর সমুদ্র সৈকতে বালি আর্টিস্টরা বালি দিয়ে সুন্দর মূর্তি তৈরী করে একটা ঢেউ সবকিছু ভেঙে তছনছ করে দিয়ে চলে যায়।
দুর্গাপুরে এক সাংবাদিক বৈঠকে এই মন্তব্য করলেন, বর্ধমান দুর্গাপুরের সাংসদ সুরিন্দর সিংহ আলুওয়ালিয়া। ২০১৭সালে একটা বিপর্যয় হয়েছিল তার পরেও রাজ্য সরকারের ঘুম কেন ভাঙলো না তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সাংসদ সুরিন্দর সিংহ আলুওয়ালিয়া।
দুর্গাপুরে এক সাংবাদিক বৈঠকে বর্ধমান দুর্গাপুরের সাংসদ বলেন, এখন চিৎকার চেঁচামেচি করার সময় নয় কিন্তু সেচ দফতরের আধিকারিকদের ব্যার্থতার জন্য বাঁধগুলির মেরামতে বা রক্ষণাবেক্ষণে বিশ্ব ব্যাঙ্কের টাকা পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে রাজ্য,না হলে আজ দুর্গাপুর ব্যারেজের এই অবস্থা হতোনা,
বাড়তো না মানুষের দুর্ভোগের যন্ত্রনা।ফেসবুক টুইটারের দল হিসেবে রাজ্যের শাসক দলকে তুলনা করে সাংসদ সুরিন্দর সিংহ আলুওয়ালিয়া অভিযোগ করেন, অহেতুক প্রচার সর্বস্ব দল তৃণমূল, তাই এর চেয়ে বেশী কিছু পাওয়ার নেই এদের কাছ থেকে,
অনেক আগেই এই বিপর্যয় কেটে যেত কিন্তু তার কাছ থেকে কোনোরকম সহযোগিতা চাওয়া হয়নি আর যাতে দুর্ভোগ বেড়েছে সাধারণ মানুষের।এখনও যদি রাজ্য সরকার তার কাছ থেকে কোনোরকম সহযোগিতা চান
তাহলে কেন্দ্রীয় জল দফতরের মন্ত্রীর সাথে কথা বলে সবরকম সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত বলে সাংসদ সুরিন্দর সিংহ আলুওয়ালিয়া জানান।
দামোদর নদের জলের যে তোড় ছিল তা বালির বস্তা দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করার অর্থ হাওয়াতে বাঁধ দেওয়া ঠিক যেইরকম পুরীর সমুদ্র সৈকতে বালি আর্টিস্টরা বালি দিয়ে সুন্দর মূর্তি তৈরী করে একটা ঢেউ সবকিছু ভেঙে তছনছ করে দিয়ে চলে যায়।
দুর্গাপুরে এক সাংবাদিক বৈঠকে এই মন্তব্য করলেন, বর্ধমান দুর্গাপুরের সাংসদ সুরিন্দর সিংহ আলুওয়ালিয়া। ২০১৭সালে একটা বিপর্যয় হয়েছিল তার পরেও রাজ্য সরকারের ঘুম কেন ভাঙলো না তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন সাংসদ সুরিন্দর সিংহ আলুওয়ালিয়া।
দুর্গাপুরে এক সাংবাদিক বৈঠকে বর্ধমান দুর্গাপুরের সাংসদ বলেন, এখন চিৎকার চেঁচামেচি করার সময় নয় কিন্তু সেচ দফতরের আধিকারিকদের ব্যার্থতার জন্য বাঁধগুলির মেরামতে বা রক্ষণাবেক্ষণে বিশ্ব ব্যাঙ্কের টাকা পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে রাজ্য,না হলে আজ দুর্গাপুর ব্যারেজের এই অবস্থা হতোনা,
বাড়তো না মানুষের দুর্ভোগের যন্ত্রনা।ফেসবুক টুইটারের দল হিসেবে রাজ্যের শাসক দলকে তুলনা করে সাংসদ সুরিন্দর সিংহ আলুওয়ালিয়া অভিযোগ করেন, অহেতুক প্রচার সর্বস্ব দল তৃণমূল, তাই এর চেয়ে বেশী কিছু পাওয়ার নেই এদের কাছ থেকে,
অনেক আগেই এই বিপর্যয় কেটে যেত কিন্তু তার কাছ থেকে কোনোরকম সহযোগিতা চাওয়া হয়নি আর যাতে দুর্ভোগ বেড়েছে সাধারণ মানুষের।এখনও যদি রাজ্য সরকার তার কাছ থেকে কোনোরকম সহযোগিতা চান
তাহলে কেন্দ্রীয় জল দফতরের মন্ত্রীর সাথে কথা বলে সবরকম সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত বলে সাংসদ সুরিন্দর সিংহ আলুওয়ালিয়া জানান।
Comments
Post a Comment