দুর্গাপুর মুক্ত উপসংশোধনাগারের মহুম্মদ নাসির আলীর স্পর্শে মা শ্যামা এক অন্য রূপে।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=এরই নাম কি মানবতা? শনিবার যে ঘটনার সাক্ষী রইল প্রাণের শহর দুর্গাপুর। মহম্মদ নাসির আলী। মেটিয়াবুরুজের এই মানুষটির ঠিকানা এখন দুর্গাপুর মুক্ত উপসংশোধনাগার।
কিন্তু জীবনে চলার পথে কখনো থেমে থাকেনি নাসির। হাতের কাজে খুব নাম ছিল মেটিয়াবুরুজের নাসির আলীর।শনিবার দুর্গাপুরের কোকওভেন থানার অন্তর্গত রবীন্দ্র পল্লীর একটি মন্দিরে মা শ্যামা এক অন্য রূপ পেল নাসিরের হাতের স্পর্শে।
খুব ভালো হাতের কাজ জানতো নাসির আর যে প্রতিভাকে সে হারিয়ে যেতে দেয়নি মনের এক অদম্য শক্তির জোরে। আর আজ তাই রবীন্দ্র পল্লীর একটি মন্দিরে মায়ের বিগ্রহের ওপর নকশা আর মন্দিরের মেঝেতে ও মায়ের বেদীতে আলপনা দেওয়ার কাজটা নিজের হাতে দায়িত্ব নিয়েই করল মহম্মদ নাসির আলী।
জীবনের একটা বড় সময় হারিয়ে গেছে নাসিরের জীবন থেকে, কিন্তু হার মানেনি নাসির, বেঁচে থাকার অর্থটা আজ তার কাছে হারিয়ে গেলেও সে চাই এই শিল্পকলার মধ্যে দিয়েই বেঁচে থাকবে সে, আর সেই অদম্য চেষ্টার জোরে নাসির আজও সব দুঃখ কষ্ট ভুলে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দের সুতোয় নিজেকে আগলে রেখেছে,
জানে সে জয় আসবে ঠিক।দুর্গাপুরের রবীন্দ্র পল্লীর ঐ কালী মন্দিরের সেবাইত দীপ মুখার্জী জানালেন, নাসিরের হাতের কাজে অভিভূত তারা, নাসিরের হাতের স্পর্শে মা আজ অন্য রূপ পেয়েছে, সম্প্রীতির এই বার্তা ছড়িয়ে যাক সমাজের বিভিন্ন প্রান্তে।
মেটিয়াবুরুজ টু দুর্গাপুর, নাসির আলী নিজের অজান্তেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে অবক্ষয়ের এক পথে যাওয়া এই সমাজকে, তার শিল্পকলার মধ্যে দিয়ে বার্তা দিয়েছে ধর্মের কোনো ভেদাভেদ নেই আমরা সবাই এক, আর কিছু নোংরা মানসিকতার মানুষ নিজেদের স্বার্থে সমাজের বুকে অবক্ষয়ের এই বীজ বপন করছে,
যাকে প্রতিহত করার সময় এবার এসে গেছে।
কিন্তু জীবনে চলার পথে কখনো থেমে থাকেনি নাসির। হাতের কাজে খুব নাম ছিল মেটিয়াবুরুজের নাসির আলীর।শনিবার দুর্গাপুরের কোকওভেন থানার অন্তর্গত রবীন্দ্র পল্লীর একটি মন্দিরে মা শ্যামা এক অন্য রূপ পেল নাসিরের হাতের স্পর্শে।
খুব ভালো হাতের কাজ জানতো নাসির আর যে প্রতিভাকে সে হারিয়ে যেতে দেয়নি মনের এক অদম্য শক্তির জোরে। আর আজ তাই রবীন্দ্র পল্লীর একটি মন্দিরে মায়ের বিগ্রহের ওপর নকশা আর মন্দিরের মেঝেতে ও মায়ের বেদীতে আলপনা দেওয়ার কাজটা নিজের হাতে দায়িত্ব নিয়েই করল মহম্মদ নাসির আলী।
জীবনের একটা বড় সময় হারিয়ে গেছে নাসিরের জীবন থেকে, কিন্তু হার মানেনি নাসির, বেঁচে থাকার অর্থটা আজ তার কাছে হারিয়ে গেলেও সে চাই এই শিল্পকলার মধ্যে দিয়েই বেঁচে থাকবে সে, আর সেই অদম্য চেষ্টার জোরে নাসির আজও সব দুঃখ কষ্ট ভুলে জীবনের স্বাভাবিক ছন্দের সুতোয় নিজেকে আগলে রেখেছে,
জানে সে জয় আসবে ঠিক।দুর্গাপুরের রবীন্দ্র পল্লীর ঐ কালী মন্দিরের সেবাইত দীপ মুখার্জী জানালেন, নাসিরের হাতের কাজে অভিভূত তারা, নাসিরের হাতের স্পর্শে মা আজ অন্য রূপ পেয়েছে, সম্প্রীতির এই বার্তা ছড়িয়ে যাক সমাজের বিভিন্ন প্রান্তে।
মেটিয়াবুরুজ টু দুর্গাপুর, নাসির আলী নিজের অজান্তেই চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে অবক্ষয়ের এক পথে যাওয়া এই সমাজকে, তার শিল্পকলার মধ্যে দিয়ে বার্তা দিয়েছে ধর্মের কোনো ভেদাভেদ নেই আমরা সবাই এক, আর কিছু নোংরা মানসিকতার মানুষ নিজেদের স্বার্থে সমাজের বুকে অবক্ষয়ের এই বীজ বপন করছে,
যাকে প্রতিহত করার সময় এবার এসে গেছে।
Comments
Post a Comment