দুর্গাপুর বীরভানপুর শ্মশানে সক্রিয় দালাল চক্র। মৃতদেহ সৎকার করতে চাওয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা। অতিষ্ঠ শ্মশান যাত্রীরা।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=মোটা টাকার বিনিময়ে চলছে মৃতদেহ সৎকার। দুর্গাপুরের বীরভানপুর শ্মশানে এই দালাল চক্রের জ্বালাতে এখন অতিষ্ঠ প্রিয়জনকে দাহ করতে আসা শ্মশান যাত্রীরা।
কখনো ২০০০আবার কখনো ২৫০০ টাকা, আর এই অঙ্কটা কখনো পৌঁছে যাচ্ছে ৩০০০ থেকে ৫০০০টাকা পর্যন্ত।
অভিযোগ এই টাকা দিতে দিতে না পারলে এক নরক যন্ত্রণার মুখে পড়তে হচ্ছে শ্মশান যাত্রীদের। একমাস হল দুর্গাপুর বীরভানপুর শ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লি মেরামতির জন্য বন্ধ হয়ে রয়েছে,
শুক্রবার থেকে চালু হওয়ার কথা চুল্লির। আর এই সুযোগে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে দালাল চক্রের পান্ডারা।
দেখার বা বলার কেউ নেই,আর তাই দিব্যি বুক ফুলিয়ে শ্মশানের ভেতরেই চলছে এই অবৈধ ব্যাবসার রমরমা কারবার।একেই বৈদ্যুতিক চুল্লি বন্ধ থাকায় কাঠে পোড়াতে হচ্ছে মৃতদেহ, এতে খরচ দ্বিগুন হয়েছে,
তার মধ্যে আবার সক্রিয় এই দালাল চক্রের পান্ডাদের দাপাদাপি, এর জেরে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে শ্মশান যাত্রীরা। কাদের মদতে এত বড় একটি শ্মশানে সক্রিয় দালাল চক্র?
আর কিভাবেই বা চলছে এই অবৈধ লেনদেনের কারবার?প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো কেউ নেই, আর এর জন্যই দুর্গাপুরের বীরভানপুর শ্মশানে সক্রিয় হয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এখন দালাল চক্রের পান্ডারা। দেখা যাকনগর প্রশাসনের প্রশাসনিক কর্তারা কি ব্যবস্থা নেয় এই ঘটনায়।
কখনো ২০০০আবার কখনো ২৫০০ টাকা, আর এই অঙ্কটা কখনো পৌঁছে যাচ্ছে ৩০০০ থেকে ৫০০০টাকা পর্যন্ত।
অভিযোগ এই টাকা দিতে দিতে না পারলে এক নরক যন্ত্রণার মুখে পড়তে হচ্ছে শ্মশান যাত্রীদের। একমাস হল দুর্গাপুর বীরভানপুর শ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লি মেরামতির জন্য বন্ধ হয়ে রয়েছে,
শুক্রবার থেকে চালু হওয়ার কথা চুল্লির। আর এই সুযোগে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে দালাল চক্রের পান্ডারা।
দেখার বা বলার কেউ নেই,আর তাই দিব্যি বুক ফুলিয়ে শ্মশানের ভেতরেই চলছে এই অবৈধ ব্যাবসার রমরমা কারবার।একেই বৈদ্যুতিক চুল্লি বন্ধ থাকায় কাঠে পোড়াতে হচ্ছে মৃতদেহ, এতে খরচ দ্বিগুন হয়েছে,
তার মধ্যে আবার সক্রিয় এই দালাল চক্রের পান্ডাদের দাপাদাপি, এর জেরে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে শ্মশান যাত্রীরা। কাদের মদতে এত বড় একটি শ্মশানে সক্রিয় দালাল চক্র?
আর কিভাবেই বা চলছে এই অবৈধ লেনদেনের কারবার?প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মতো কেউ নেই, আর এর জন্যই দুর্গাপুরের বীরভানপুর শ্মশানে সক্রিয় হয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে এখন দালাল চক্রের পান্ডারা। দেখা যাকনগর প্রশাসনের প্রশাসনিক কর্তারা কি ব্যবস্থা নেয় এই ঘটনায়।
ওখানকার কাউনশিলার এর মদত না থাকলে এই কাজ হতে পারেনা।তিনি কি কোরছেন?
ReplyDeletesob jayga r councillor e ghumae..vote eseche ebar rasta meramoti start hoeche
ReplyDelete