দুর্গাপুর ব্যারেজের বেশ কিছু লকগেট পরিবর্তন করা হবে, আর বাকি গেটগুলির রক্ষনাবেক্ষন আর সংস্কারের কাজ. হবে, ব্যারেজ পরিদর্শনে এসে এই তথ্য দিলেন রাজ্যের সেচ সচিব নবীন প্রকাশ।.
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর পশ্চিম বর্ধমান=দুর্গাপুর ব্যারেজের ৩৪টির মধ্যে ১৩টি গেট পরিবর্তন করে দেওয়া হবে আর বাকি গেটগুলি রক্ষনাবেক্ষন আর সংস্কার করা হবে। দুর্গাপুর ব্যারেজ পরিদর্শনে এসে রাজ্যের সেচ সচিব নবীন প্রকাশ জানান, তিস্তার কাজ শেষ হয়ে গেছে, মহানন্দার কাজ চলছে, ২০১৮সালে সরকার এজেন্সী নিয়োগ করেছে সরকার।
এই এজেন্সী পুরো কাজের বাস্তব রূপ দেবে খুব তাড়াতাড়ি। তবে দুর্গাপুর ব্যারেজের এই লকগেটের মেরামতির কাজ শেষ হতে সোমবার সারাদিন লাগবে বলে এই আধিকারিক জানান, সাথে বলেন পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে মঙ্গল বুধবার হয়ে যাবে।
রাজ্যের সেচ সচিব নবীন প্রকাশ এইদিন দুর্গাপুর ব্যারেজের ভেঙে যাওয়া ৩১নম্বর লকগেটের মেরামতির কাজ পরিদর্শন করেন, কথা বলেন সেচ দফতরের আধিকারিকদের সাথে,
সাংবাদিকদের সাথে এইদিন কথা প্রসঙ্গে তিনি জানান, বয়সের ভারে বেশ কিছু গেট দুর্বল হয়ে পড়েছে, আর যার জন্য এই ২০১৭সালের পর ২০২০সালে ফের বিপর্যয় নামল। তবে রাজ্যের রাজ্যের সেচ সচিবের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ক্ষেত্রে মঙ্গল বুধবারের সময়সীমা দেওয়াতে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে দুর্গাপুরবাসীর।
ফের পানীয় জলের সঙ্কটের মুখে পড়তে হবে তাদেরকে? এই আতঙ্কের অবসান ঘটাতে রবিবার দুর্গাপুর ব্যারেজ পরিদর্শনে এসে পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক পূর্ণেন্দু মাজি জানান,পানীয় জলের পাঁচ লক্ষ পাউচ প্রশাসন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য মজুদ রেখেছে,
প্রয়োজনে জলের ট্যাংকি পাঠানো হবে শহর দুর্গাপুরের বিভিন্ন প্রান্তে, সাধারণ মানুষের কোনো অসুবিধা হবে না বলে এইদিন পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক পূর্ণেন্দু মাজি জানিয়েছেন।
রবিবার দুর্গাপুর ব্যারেজ পরিদর্শন করে পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক জানান,জলের স্তর না নামাটা কাজের গতির ক্ষেত্রে একটা অন্তরায় তৈরী করছে, তা সত্ত্বেও সেচ দফতরের প্রযুক্তিবিদরা বিকল্প রাস্তার খোঁজ চালাচ্ছে বলে জানান।
সব মিলিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পানীয় জলের সংকট মোকাবিলায় এখন কি রাস্তা বেরোয় সেইদিকেই তাকিয়ে সবাই কারণ ২০১৭সালে টানা চারদিন এই জল সংকট মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল প্রশাসনের কাছে।
এই এজেন্সী পুরো কাজের বাস্তব রূপ দেবে খুব তাড়াতাড়ি। তবে দুর্গাপুর ব্যারেজের এই লকগেটের মেরামতির কাজ শেষ হতে সোমবার সারাদিন লাগবে বলে এই আধিকারিক জানান, সাথে বলেন পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে মঙ্গল বুধবার হয়ে যাবে।
রাজ্যের সেচ সচিব নবীন প্রকাশ এইদিন দুর্গাপুর ব্যারেজের ভেঙে যাওয়া ৩১নম্বর লকগেটের মেরামতির কাজ পরিদর্শন করেন, কথা বলেন সেচ দফতরের আধিকারিকদের সাথে,
সাংবাদিকদের সাথে এইদিন কথা প্রসঙ্গে তিনি জানান, বয়সের ভারে বেশ কিছু গেট দুর্বল হয়ে পড়েছে, আর যার জন্য এই ২০১৭সালের পর ২০২০সালে ফের বিপর্যয় নামল। তবে রাজ্যের রাজ্যের সেচ সচিবের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ক্ষেত্রে মঙ্গল বুধবারের সময়সীমা দেওয়াতে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে দুর্গাপুরবাসীর।
ফের পানীয় জলের সঙ্কটের মুখে পড়তে হবে তাদেরকে? এই আতঙ্কের অবসান ঘটাতে রবিবার দুর্গাপুর ব্যারেজ পরিদর্শনে এসে পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক পূর্ণেন্দু মাজি জানান,পানীয় জলের পাঁচ লক্ষ পাউচ প্রশাসন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য মজুদ রেখেছে,
প্রয়োজনে জলের ট্যাংকি পাঠানো হবে শহর দুর্গাপুরের বিভিন্ন প্রান্তে, সাধারণ মানুষের কোনো অসুবিধা হবে না বলে এইদিন পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক পূর্ণেন্দু মাজি জানিয়েছেন।
রবিবার দুর্গাপুর ব্যারেজ পরিদর্শন করে পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক জানান,জলের স্তর না নামাটা কাজের গতির ক্ষেত্রে একটা অন্তরায় তৈরী করছে, তা সত্ত্বেও সেচ দফতরের প্রযুক্তিবিদরা বিকল্প রাস্তার খোঁজ চালাচ্ছে বলে জানান।
সব মিলিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পানীয় জলের সংকট মোকাবিলায় এখন কি রাস্তা বেরোয় সেইদিকেই তাকিয়ে সবাই কারণ ২০১৭সালে টানা চারদিন এই জল সংকট মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিল প্রশাসনের কাছে।
Comments
Post a Comment