সরকারী স্তরে সদুত্তর না পেয়ে ধারাবাহিক আন্দোলন জারি রাখল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সাথে জড়িত কলাকুশলিরা। দুর্গাপুর মৌন মিছিল শিল্পীদের।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=করোনার মৃত্যু ছোবল রুখতে এবার পুজোতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অনুমতি দেয়নি সরকার। কিন্ত সংক্রমণের থাবা এদের শরীরে নয় পেটে সংক্রমিত হয়েছে। এরা শিল্পী যারা পুজোর মরশুমের জন্য অপেক্ষা করে থাকে। কারণ এই সময় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে এরা কিছু আয় করে।
আর তাই সংক্রমণের বিষাক্ত ছোবল এদের রুজি রোজগারে বিশাল প্রভাব ফেলে দিয়েছে। পুজোয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অনুমতি মেলেনি সরকারী স্তরে তাই সোমবার দুর্গাপুর মহকুমা শাসকের দফতরের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সাথে জড়িত কলাকুশলিরা,
সাথে ছিল আলো ও সাউন্ড এর কর্মীরাও যারা এই মরশুমের জন্য সাড়া বছর মুখ চেয়ে বসে থাকেন। সোমবারের দাবীসম্বলিত স্বারকলিপি তুলে দেওয়ার পরও কোনো সদর্থক ভূমিকা না থাকায় আন্দোলনের ধারাবাহিকতা জারি রইল মঙ্গলবারও।
দুর্গাপুরের প্রান্তিকা পাঁচ মাথা মোড়ের সামনে থেকে এই কলাকুশলিরা একটি মৌন মিছিল বের করল, মিছিলটি শেষ হয় ভিড়িঙ্গিতে।
কলাকুশলিদের বার্তা সরকার একটু মানবিক হোক তাদের ওপর, নচেৎ সেই লকডাউন থেকে তারা যে আর্থিক অনটনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এবার যদি পুজোতেও তারা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার অনুমতি না পান তাহলে প্রবল আর্থিক সমস্যায় এবার না খেয়ে তাদের মরতে হবে। এখন দেখার বিষয় সরকার এই ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত নেন।
আর তাই সংক্রমণের বিষাক্ত ছোবল এদের রুজি রোজগারে বিশাল প্রভাব ফেলে দিয়েছে। পুজোয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অনুমতি মেলেনি সরকারী স্তরে তাই সোমবার দুর্গাপুর মহকুমা শাসকের দফতরের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের সাথে জড়িত কলাকুশলিরা,
সাথে ছিল আলো ও সাউন্ড এর কর্মীরাও যারা এই মরশুমের জন্য সাড়া বছর মুখ চেয়ে বসে থাকেন। সোমবারের দাবীসম্বলিত স্বারকলিপি তুলে দেওয়ার পরও কোনো সদর্থক ভূমিকা না থাকায় আন্দোলনের ধারাবাহিকতা জারি রইল মঙ্গলবারও।
দুর্গাপুরের প্রান্তিকা পাঁচ মাথা মোড়ের সামনে থেকে এই কলাকুশলিরা একটি মৌন মিছিল বের করল, মিছিলটি শেষ হয় ভিড়িঙ্গিতে।
কলাকুশলিদের বার্তা সরকার একটু মানবিক হোক তাদের ওপর, নচেৎ সেই লকডাউন থেকে তারা যে আর্থিক অনটনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে এবার যদি পুজোতেও তারা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করার অনুমতি না পান তাহলে প্রবল আর্থিক সমস্যায় এবার না খেয়ে তাদের মরতে হবে। এখন দেখার বিষয় সরকার এই ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত নেন।
Comments
Post a Comment