ফের বিকল দুর্গাপুর মহাশ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লি,ভোগান্তির শিকার সাধারণ মানুষ, পুজোর পরেই মিটে যাবে সমস্যা জানাল দুর্গাপুর নগর নিগম।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=কোভিড আবহে নিয়ম করে প্রতিমাসে দুর্গাপুরের বীরভানপুরের বৈদ্যুতিক চুল্লি খারাপ হয়ে যাচ্ছে।আর এতে বিপত্তি বাড়ছে শুধু সাধারণ মানুষেরই নয়, সংকটময় এই অবস্থায় মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে প্রশাসনের।
শুধু দুর্গাপুর নয়, বাঁকুড়া জেলা থেকেও প্রতিদিন এই মহাশ্মশানে মৃতদেহ সৎকার করতে আসেন অনেক মানুষ কিন্তু প্রতিমাসে বৈদ্যুতিক চুল্লি এক দুই দিন আবার কখনো কখনো সাত আট দিনও লেগে যায় চুল্লি মেরামত হতে কিন্তু স্থায়ী সংস্কার না হওয়াতে সমস্যা সমস্যায় রয়ে গেছে আর দুর্ভোগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের।
কারণ চুল্লি খারাপ হওয়াতে কাঠে সৎকার করতে হচ্ছে মৃতদেহ, এতে খরচাও যেমন বেশী ঠিক তেমনি থাকে দূষণের যন্ত্রনা আর সময় বেশী লাগার বিষয়টি। প্রতিদিন দুর্গাপুর মহাশ্মশানে কম বেশী কুড়ি থেকে বাইশটির মতো মৃতদেহ সৎকারের জন্য আসে, আর এই সংকটময় পরিস্থিতিতে রাতের বেলায় কোভিডে মৃত ব্যাক্তিরও সৎকার হচ্ছে এই মহাশ্মশানে।
দুর্গাপুরের বীরভানপুর মহাশ্মশানের সিনিয়র ম্যানেজার শ্যামল আচার্য্য জানালেন, অতিরিক্ত চাপ হয়ে যাওয়াতে বৈদ্যুতিক চুল্লির মোটর খারাপ হয়ে যাচ্ছে, আর বারবার বলা সত্বেও দুর্গাপুর নগর নিগম কিছু করছেনা, ফলস্বরূপ যেমন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে ঠিক তেমনি সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়তে হচ্ছে তাদেরও।
দুর্গাপুর নগর নিগমের শ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লির দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র পরিষদ রুমা পারিয়াল জানালেন,টেন্ডার হয়ে গেছে পুজোর পর এই সমস্যা মিটবে, তাছাড়া নগর নিগমের পক্ষ থেকে বীরভানপুর মহাশ্মশানের ঠিক পাশে একটি জায়গা দেখা হয়েছে সেখানে নুতন করে একটি বৈদ্যুতিক চুল্লি করা হবে যাতে করে চাপ কমে এই পুরোনো চুল্লির ওপর।
মঙ্গলবার বিকেল থেকে ফের চুল্লি বিকল হয়ে যাওয়ায় এখন শ্মশানে যারা সৎকার করতে আসছেন তারা মহা সমস্যার মধ্যে পড়ে রয়েছেন, দুর্গাপুর নগর নিগম থেকে জানানো হয়েছে বিকল্প মোটর লাগিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কিন্তু দুর্গাপুরের একমাত্র এই মহাশ্মশানে সমস্যা আদৌ কি মিটবে?
এই প্রশ্ন রয়ে গেছে এই মহাশ্মশানে সৎকার করতে আসা সাধারণ মানুষের, আর কোভিড আবহে বিষয়টি নিয়ে এখন চিন্তিত প্রশাসনও। i
Comments
Post a Comment