মৃত শ্রমিকের পরিবারের হাতে আর্থিক ক্ষতিপূরণ আর পরিবারের একজনের নিয়োগপত্র তুলে দিল কারখানা কর্তৃপক্ষ.

নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=গত মাসের চার তারিখ কাজে যোগ দেওয়ার প্রথম দিনেই তড়িতাহত হয়ে মারা যান বছর আঠাশের রাহুল ঘোষ.

অঙ্গদপুর রাতুড়িয়া শিল্পতালুকে একটি বেসরকারী কারখানায় কর্মরত অবস্থাতেই মৃত্যু হয় রাহুলের.শনিবার একমাসের মাথায় রাহুলের পরিবারের হাতে সাত লক্ষ টাকার চেক ও পরিবারের একজনের চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হল.

আই. এন. টি. টি. ইউ. সি পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি বিশ্বনাথ পৰিয়ালের হাত দিয়েই কারখানা কর্তৃপক্ষ এই আর্থিক সাহায্যের চেক তুলে দিল রাহুলের পরিবারের হাতে, একই সাথে দেওয়া হল একজনের চাকরির নিয়োগপত্র.

ভাই আর ফিরে আসবে না আর ও না থাকার ক্ষতিও কোনোভাবে পূরণ করা যাবে না, কিন্তু একমাত্র আয়ের উৎস ছিল ভাই, তাই এই সাহায্য স্বাভাবিক ভাবেই গোটা পরিবারকে অনিচ্ছিত এক ভবিষ্যতের হাত থেকে বাঁচাবে.আই. এন. টি. টি. ইউ. সি পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি বিশ্বনাথ পৰিয়াল ছাড়াও মেয়র পরিষদ ধর্মেন্দ্র যাদব, পুরপিতা সুভাষ মজুমদার সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যাক্তিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন.

আই. এন. টি. টি. ইউ. সি পশ্চিম বর্ধমান জেলা সভাপতি বিশ্বনাথ পড়িয়াল জানান, একটা মানুষের মৃত্যু কখনো টাকার অঙ্কে বিচার করা যায় না,

তাও পরিবার যদি একটু সাহায্য পায় তার জন্য কর্তৃপক্ষকে প্রথম দিন থেকেই আমরা চাপে রেখেছিলাম, আর যার ফল মিলল আজ, একজনের নিয়োগপত্র আর আর্থিক সাহায্যের চেক তুলে দেওয়া হয়েছে পরিবারের স্বার্থে. শ্রমিক স্বার্থে এইভাবেই আই. এন. টি. টি. ইউ. সি এইভাবেই কাজ করে যাবে বলে বিশ্বনাথ পড়িয়াল জানালেন.

Comments

Popular posts from this blog

পাহাড়কে দূষণ মুক্ত করার ডাক দিয়ে দুর্গাপুর থেকে সাইকেল করে শুশুনিয়া পাহাড় পাড়ি তরুণ ব্রিগেডের।

দুর্গাপুরের মহকুমা শাসকের হাত ধরে শহরের বুকে যাত্রা শুরু এম পিক্স.কমের.

দুর্গাপুর ব্যারেজে দামোদরের জলে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী স্বামী স্ত্রী।