দুর্গাপুরে বন্ধ কারখানার ভেতর থেকে চলছে অবাধে চুরি.দুষ্কৃতীরা দাপিয়ে বেড়ালেও নীরব সবাই অভিযোগ স্থানীয়দের.
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর,=অবাধ চুরির স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে দুর্গাপুরের বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বার্ন স্ট্যান্ডার্ড কারখানা চত্বর.1982সালে কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে আঠাশটির মতো পরিবার এখানে রয়ে গেছে, আশা একটাই যদি কখনো কারখানার দরজা খোলে,এক কথায় বুকে করে আগলে রাখার চেষ্টা করছে কারখানার সম্পত্তি.
কিন্তু কে শোনে কার কথা. এই অঞ্চলের তিন ত্রাস চ্যাপ্টা, বিনোদ আর রঞ্জিত. দিনের আলোয় কারখানার ভেতর ঢুকে অবাধে ইট লোহা চুরি করে নিচ্ছে এদের সাগরেদরা, আর প্রতিবাদ করতে গেলেই জোটে হুমকির সুর এমনটাই অভিযোগ করছে স্থানীয় বাসিন্দারা.আর এর জন্য 
এদের সাহস দ্বিগুন হয়েছে, বিষয়টি দুর্গাপুরের বিধায়ক বিশ্বনাথ পাড়িয়ালকে জানানো হয়েছে কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি, উল্টে এদেরই দেখা গেছে রাজনৈতিক দলের পার্টি অফিসে.
ভয়ে সিটকে থাকছে স্থানীয়রা. কিন্তু কে বা কারা অন্তরালে থেকে এদের মদত দিচ্ছে? আর কোন সাহসে দিনের আলোতে এরা কারখানার ভেতরে ঢুকে ইট লোহা সব কিছু চুরি করে নিয়ে চলে যাচ্ছে?
স্থানীয়দের অভিযোগ,দিনের আলোয় এরা রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় চলে যাচ্ছে,আর এরই জোরে এদের সাহস দ্বিগুন হয়েছে দিব্বি অপরাধ করেও বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে এলাকায়পুলিশ প্রশাসনকেও জানানো হয়েছে অনেকবার কিন্তু অজ্ঞাত রহস্যময় কারণে তারাও চুপ. বৃহস্পতিবার গোটা কারখানা চত্বরে ব্যাপক অভিযান করে কোকওভেন থানার পুলিশ আটক করা হয়েছে একটি ট্রাক্টর,যদিও দুষ্কৃতীরা অধরা.
কিন্তু এতেও ভরসা রাখতে পারছেন না স্থানীয়রা, এদের অভিযোগ দুই একদিন পুলিশী ধর পাকড়ের ছবি এর আগেও দেখেছি কিন্তু দিন কয়েক কাটার পর আবার যেই কে সেই. পুলিশ প্রশাসনকেও জানানো হয়েছে অনেকবার কিন্তু অজ্ঞাত রহস্যময় কারণে তারাও চুপ. বৃহস্পতিবার গোটা কারখানা চত্বরে ব্যাপক অভিযান করে কোকওভেন থানার পুলিশ আটক করা হয়েছে একটি ট্রাক্টর,যদিও দুষ্কৃতীরা অধরা.
কিন্তু এতেও ভরসা রাখতে পারছেন না স্থানীয়রা, এদের অভিযোগ দুই একদিন পুলিশী ধর পাকড়ের ছবি এর আগেও দেখেছি কিন্তু দিন কয়েক কাটার পর আবার যেই কে সেই.দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিশ্বনাথ পাড়িয়াল জানিয়েছেন, শুধু বার্ন স্ট্যান্ডার্ড কেন আশপাশের বন্ধ সব কারখানা দুষ্কৃতীদের স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠেছে, অবাধ লুঠ চলছে কারখানার সম্পত্তি,
দুষ্কৃতীরা সে যেই হোক যদি আমার চারপাশেও ওরা থাকে অবিলম্বে পুলিশ তাদেরকে গ্রেপ্তার করুক.এখন দেখার বিষয় প্রশাসনিক ঘুম কবে ভাঙে?এও দেখার বিষয় এত কিছুর পরও চ্যাপ্টা, রঞ্জিত বিনোদ রা অবাধে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়ানোর সাহস পায় কিনা.
কারণ স্থানীয়রা বলছেন চুরির প্রতিবাদ করলেই এরা প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়, তাই পুলিশ প্রশাসনের কাছ থেকে আমরা যদি নিরাপত্তা না পায় তাহলে কিভাবে আমরা রুখে দাঁড়াবো এই সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে.
Comments
Post a Comment