কাঁকসার রক্ষিতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়ম করে বসছে মদ,জুয়া আর গাঁজার ঠেক. দায় এড়ানোর ভূমিকায় সবাই.
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=করোনার মৃত্যু ছোবল রুখতে দেশে জারি হয়েছিল লকডাউন.আর এই অবস্থায় বন্ধ হয়ে গেছে স্কুল, কলেজ সবকিছু. আর এই সুযোগটাকেই কাজে লাগিয়েছে দুষ্কৃতী ও কিছু বহিরাগত সমাজবিরোধীরা.
পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসার রক্ষিতপুর উচ্চ বিদালয় এখন সমাজবিরোধীদের আস্তানা হয়ে গেছে, স্কুলের ভেতর দিনের আলোতেই চলছে দেদার জুয়া, গাঁজা আর মদের ঠেক.
যেখানে বিদ্যার দেবীর থাকার কথা সেখানে ভিড় বেড়েছে বহিরাগত সমাজবিরোধীদের, চলছে অবাধ গাঁজা মদ আর জুয়ার ঠেক.দিনের আলোতেই স্কুল চত্বর যদি সমাজবিরোধীদের দখলে চলে যায় তাহলে রাতের অন্ধকারে স্কুল চত্বরের অবস্থা কি হয়,তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না. সমাজবিরোধী দের এই দাপটের কথা কেউ যে জানেনা বা দেখেনি এমনটা নয় কিন্তু, সবাই সব জানে সব বোঝেও, কিন্তু অবাধ সমাজবিরোধীদের দাপট রুখবেটা কে? কাঁকসা রক্ষিতপুর স্কুল পরিচালন সমিতির সদস্য আনন্দ দে বলছেন,

এই সমাজবিরোধীদের অভিবাবকরা যদি একটু সচেতন হতো তাহলে এই অবস্থা হতো না,
দায়সাড়া গোছের এমন এক প্রতিক্রিয়া দিয়ে এই ব্যাক্তি বললেন, স্কুলের একজন নিরাপত্তারক্ষী চাই নচেৎ এই অবস্থা চলতেই থাকবে.কাঁকসার মলানদীঘি পঞ্চায়েত প্রধান পীযুষ মুখার্জী বলছেন,
অভিযোগ কই, আর আশপাশের লোকজন যদি অভিযোগ না করে তাহলে তিনি জানবেন কি করে সমস্যার কথা,সব কিছু শুনে তিনি জানালেন, স্কুল চত্বরে যাতে সমাজবিরোধীদের ঠেক না বসে তার জন্য তিনি পুলিশকে জানাবেন নিজেও উদ্যোগী হবেন.দায় চাপানোর এই দড়ি টানাটানির মাঝে এখন শাঁখের করাতের অবস্থা,এগোলেও বিপদ পিছলেও বিপদ, কারণ স্কুল চত্বরে এই সমাজবিরোধীদের দাপাদাপিতে গ্রামের পরিবেশটা নষ্ট হচ্ছে.

এখন দেখার বিষয় স্কুলের ভেতর মদ, গাঁজা আর জুয়ার ঠেক বন্ধ করতে পুলিশ প্রশাসন কি ভূমিকা নেয়.
Comments
Post a Comment