বাবার ঘুম ভাঙিয়ে নিজে চির নিদ্রায় সাড়ে তিন বছরের বিশ্বজিৎ. শোকের ছায়া দুর্গাপুরে.
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=সকাল সকাল বাবাকে ঘুম থেকে তুলে দিয়ে ছোট্ট বিশ্বজিৎ বলেছিল ডিউটি যাবি না বাবা? ওঠ ঘুম থেকে এবার . কিন্তু সন্তানের মুখ থেকে আদো আদো গলায় বাবা ডাকটা যে এই শেষবারের মতো শুনবেন সেটা স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি সামান্য গাড়ি চালক বাপ্পা চক্রবর্তী.
বুধবার সকালে যে সন্তানের আদুরে ডাক শুনে এক বাবার ঘুম ভেঙেছিল সেই বাবার কোলেই দুপুর একটাই এল সেই ফুটফুটে সন্তানের নিথর দেহ.বুধবার সকালে ছেলের হাতে ব্রাশ ধরিয়ে দিয়ে বাবা বলেছিল মুখ ধুয়ে নে মা দুধ দেবে তারপর খেলবি. মা ফোনে ব্যাস্ত ছিল আর কৌতূহল নিয়ে হয়তো সাড়ে তিন বছরের ছোট্ট বিশ্বজিৎ চলে গিয়েছিল ঘরের সামনের ক্যানেলের জলের সামনে, আর তারপর সব শেষ,

সবার চোখের জলে শেষ বিদায় নিল ছোট্ট বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী . দুর্গাপুরের কোকওভেন থানার অন্তর্গত সুকান্তপল্লীর কাছে আনন্দপুর ক্যানেল সংলগ্ন এলাকার মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে আসে.
তলিয়ে যাওয়া শিশুটির সন্ধানে সকালেই মহকুমা প্রশাসনের বিশেষ বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে ক্যানেলের জলে নামানো হয়,তন্ন তন্ন করে খোঁজার পর দুপুর একটাই মেলে শিশুটির নিথর দেহ.
মা নাকি ফোনেই ব্যাস্ত থাকতো, আর বুধবার সকালে বাবার ব্যাস্ততা আর মায়ের মোবাইল ফোনে ব্যাস্ত থাকার সুযোগটাকে কাজে লাগিয়ে অবুঝ ছোট্ট বিশ্বজিৎ চলে যায় ক্যানেলের জলের সামনে আর যার শেষ পরিণতি এই মৃত্যু,বিশ্বজিতের পিসির এমনটাই অভিযোগ, পড়শীরাও আনছে একই অভিযোগ.খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে পুলিশ,

আসেন দুর্গাপুর নগর নিগমের চার নম্বর বোরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়, কথা বলেন শিশুটির পরিবারের সাথে. একটা ফুটফুটে শিশু যে আর মা বলে ডাকবে না, আদো আদো গলায় আর কখনো বাবাকে ঘুম থেকে তুলে দিয়ে বলবে না ওঠ কাজে যাবি না?কিন্তু স্মৃতি হয়ে থেকে যাবে সবার মনে,সবার ভালোবাসা নিয়ে. মর্মান্তিক এই মৃত্যু শিখিয়ে দিয়ে গেল সন্তানের প্রতি অভিবাবকদের একটু দায়িত্ববান হওয়ার শিক্ষা.

সন্তানের ক্ষতি বিপদ কেউ চায়না, কিন্তু ব্যাস্ততার মাঝে কোথায় যেন কিছু চেনা ছন্দ হারিয়ে যাচ্ছে, আর এখানেই ঘটছে সমন্বয়ের অভাব আর যার খেসারত দিতে হচ্ছে অনেককে.
Ki bolbo r... Bolar mototon kono bhasa nei amar
ReplyDelete