ফের বিকল দুর্গাপুরের বীরভানপুর শ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লি, শ্মশানে সৎকার করতে এসে সাধারণ মানুষের সাথে সাথে চরম দুর্ভোগে পড়লেন রাজ্যের দুই বিধায়ক.
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=ফের বিকল দুর্গাপুরের বীরভানপুর শ্মশানের ইলেকট্রিক চুল্লি. এবার শ্মশানে দাহ করতে এসে চরম দুর্ভোগে পড়লেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিশ্বনাথ পাড়িয়াল ও বাঁকুড়ার বড়জোড়ার বিধায়ক সুজিত চক্রবর্তী.
শ্মশান যাত্রীদের ক্ষোভ সামলালেন নগর নিগমের পুরপিতা দেবব্রত সাইঁ তৎপর না হলে রবিবার আরো বড় সমস্যা হতে পারতো শ্মশানে.
ক্ষোভ চেপে না রেখে দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক বিশ্বনাথ পাড়িয়াল অভিযোগ করেন, এই ঘটনার জন্য দুর্গাপুর নগর নিগম দায়ী, হাইপাওয়ার কমিটির মিটিংয়ে মহানাগরিককে বারবার বলা হয়েছে,কিন্তু স্থায়ী সমস্যা সমাধানে দুর্গাপুর নগর নিগমের কেন এই খামতি বুঝে উঠতে পারছি না.
রবিবার দলের এক কর্মীর বাবার সৎকার করতে শ্মশানে এসেছিলেন বাঁকুড়ার বড়জোড়ার বিধায়ক সুজিত চক্রবর্তী, চুল্লি বিকল হওয়ার দরুন প্রায় ঘন্টা দেড়েক অপেক্ষা করার পর তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যে একটা অপদার্থ সরকার চলছে, আর তৃণমূল নেতাদের কাটমানির জন্য মানুষের এই ভোগান্তি.রবিবার ভোর পাঁচটা থেকে শ্মশানের ইলেকট্রিক চুল্লি বিকল হয়ে পড়ায় বেলা গড়াতে শ্মশান যাত্রীদের ক্ষোভ চরমে ওঠে, জোড়াতাপ্পি দিয়ে কাজ না করে কেন স্থায়ী সংস্কার করা হচ্ছেনা এই প্রশ্নে কাছে পেয়ে তেইশ নম্বর ওয়ার্ডের পুরপিতা দেবব্রত সাইঁকে ঘিরে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করে শ্মশান যাত্রীরা.দুপুর একটার পর দুর্গাপুর নগর নিগমের বৈদ্যুতিক বিভাগের আধিকারিকরা শ্মশানে আসেন.কোনোরকমে মেরামতি করে চুল্লির স্বাভাবিক কাজ শুরু হলেও, পরে কি হবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন নগর নিগমের পুরপিতা দেবব্রত সাইঁ.

দুর্গাপুর নগর নিগমের অধীন বীরভানপুর মহাশ্মশানে শুধু এই জেলা থেকে নয় বাঁকুড়া থেকেও মৃতদেহ নিয়ে আসা হয় সৎকারের জন্য, সপ্তাহখানেক আগে এই বিদ্যুৎ চুল্লি বিকল হয়ে পড়েছিল, যে ইস্যুতে দুর্গাপুর নগর নিগমের মহানাগরিক দিলীপ অগস্থি ও দুর্গাপুর নগর নিগমের চার নম্বর বোরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছিল,
সাধারণ মানুষের ভোগান্তির জন্য দুর্গাপুরের মহানাগরিককেই দায়ী করেছিলেন চন্দ্রশেখর বাবু ,অভিযোগের উত্তরে মহানাগরিকও পাল্টা কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন. এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতে রবিবার ফের শ্মশানের ইলেকট্রিক চুল্লি বিকল হয়ে পড়ায় সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ চরমে ওঠে,রবিবার দুর্ভোগের জেরে যে ক্ষোভ বিক্ষোভ হল তা সামলে দিলেন দুর্গাপুরের বিধায়ক বিশ্বনাথ পাড়িয়াল ও পুরপিতা দেবব্রত সাইঁ,
ইতিমধ্যে বছর দেড়েক হল আরো একটি চুল্লি বিকল হয়ে পড়ে রয়েছে, বাড়ছে একটা চুল্লির ওপর চাপ, তাই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলে পরবর্তী সময়ে বিক্ষোভ কিভাবে সামাল দেওয়া যাবে তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে.v
Comments
Post a Comment