চিকিৎসায় গাফিলতিতে রুগী মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে, মৃতদেহ নিতে অস্বীকার মৃতার পরিবারের, সুপারকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ মৃতার পরিবারের, তদন্তের আশ্বাস হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের.

নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর= গত চোদ্দ তারিখ পেটে ব্যাথা আর বমির উপসর্গ নিয়ে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি হতে আসেন অনুরুপা বাউরি নামে বছর ঊনিশের এক মহিলা.

অভিযোগ সেইদিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অনুরূপাকে ভর্তি না নিয়ে তাকে ফিরিয়ে দেয়. অবস্থার অবনতি হওয়াতে ফের রবিবার সকালে কাঁকসার গোপালপুরের বাসিন্দা অনুরূপাকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, পরিবারের লোকজনের চাপে শেষ পর্যন্ত ভর্তি নেওয়া হয় অনুরূপাকে,কিন্তু এরপর থেকে কোনো চিকিৎসক অনুরূপাকে দেখতে আসেনি বলে পরিবারের অভিযোগ. শেষ পর্যন্ত সোমবার সকাল দশটা নাগাদ মারা যান অনুরূপা বাউরি, এরপরই উত্তেজিত মৃতার পরিবারের সদস্যরা হাসপাতাল সুপার ডক্টর ইন্দ্রজিৎ মাজিকে ঘিরে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন,

অস্বীকার করেন মৃতদেহ নিতে. মৃতার পরিবারের দাবী ছিল যতক্ষণ না পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিচ্ছেন ততক্ষন তারা মৃতদেহ নেবেন না.

শেষ পর্যন্ত দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডক্টর ইন্দ্রজিৎ মাজি তদন্তের আশ্বাস দিলে বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ মৃতদেহ নিয়ে হাসপাতাল ছাড়েন অনুরূপার পরিবার. লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে হাসপাতাল সুপারের কাছে.

যদিও দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডক্টর ইন্দ্রজিৎ মাজি চিকিৎসার গাফলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, তদন্ত কমিটি গড়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে হাসপাতাল সুপার জানিয়েছেন.এর আগেও বেশ কয়েকবার চিকিৎসায় গাফিলতিতে মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের বিরুদ্ধে,

তবে প্রয়োজনের তুলনায় চিকিৎসক কম থাকয়  যে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে সেটা স্বীকার করে নিয়েছেন দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের সুপার ডক্টর ইন্দ্রজিৎ মাজি.

Comments

Popular posts from this blog

পাহাড়কে দূষণ মুক্ত করার ডাক দিয়ে দুর্গাপুর থেকে সাইকেল করে শুশুনিয়া পাহাড় পাড়ি তরুণ ব্রিগেডের।

দুর্গাপুরের মহকুমা শাসকের হাত ধরে শহরের বুকে যাত্রা শুরু এম পিক্স.কমের.

দুর্গাপুর ব্যারেজে দামোদরের জলে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী স্বামী স্ত্রী।