টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন এলাকা, উত্তেজিত স্থানীয়রা পুরমাতা ও দুর্গাপুর নগর নিগমের এক ইঞ্জিনিয়ারকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ, আটকে রাখা হল দুই জনকে, দুর্গাপুরের এই ঘটনায় ছুটে এল পুলিশ।
নিউজ বেঙ্গল দুর্গাপুর=বৃহস্পতিবারের টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়ে দুর্গাপুর নগর নিগমের আঠাশ নম্বর ওয়ার্ডের সগরভাঙ্গা গ্রামের নিউ তাঁতি পাড়া এলাকা। এইদিকে গ্রামবাসীদের অভিযোগ, নামো সগরভাঙার কাছে থাকে একটি গুডস সাইড রেল ইয়ার্ড রয়েছে,
এখানকার বেসরকারী এক এজেন্সী বেআইনিভাবে পাঁচিল দেওয়ার কাজ করেছে আর এতেই সবকিছু শেষ হয়ে গেছে বেড়েছে বিপত্তি আর যার জন্য বৃহস্পতিবারের টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হয়ে পড়েছে বেশ কিছু বাড়ি ভেঙেও গেছে কিছু বাড়ি।
এইদিকে গ্রামবাসীদের ক্ষোভের কথা শুনতে পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন স্থানীয় পুরমাতা অঙ্কিতা চৌধুরী, ডাকা হয় দুর্গাপুর নগর নিগমের পূর্ত বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার মোহনলাল মাজিকে।
উত্তেজিত গ্রামবাসীরা এরপর রেলের গুডস সাইডের মূল দরজা আটকে দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে দেয়, ক্ষোভের মুখে পড়েন পুরমাতা অঙ্কিতা চৌধুরী ও দুর্গাপুর নগর নিগমের পূর্ত বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার মোহনলাল মাজি, আটকে রাখা হয় এই দুইজনকে। যতক্ষণ এই সমস্যার সমাধান না হচ্ছে ততক্ষন এই বিক্ষোভ জারি থাকবে বলে গ্রামবাসীরা জানিয়ে দেন।
রেলের গুডস সাইড ইয়ার্ডে পুরমাতা ও দুর্গাপুর নগর নিগমের এক ইঞ্জিনিয়ার আটকে আছেন এই খবর পেয়ে কোকওভেন থানার পুলিশ দুই জনকে উদ্ধার করতে এলে পুলিশ কর্মীরাও বিক্ষোভের মুখে পড়েন গ্রামবাসিদের।পাঁচিল ভাঙার লিখিত প্রতিশ্রুতি আর ক্ষতিপূরণের আশ্বাস না পেলে কোনোভাবেই এই বিক্ষোভ আন্দোলন থেকে গ্রামবাসীরা সরবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন।
স্থানীয় আঠাশ নম্বর ওয়ার্ডের পুরমাতা অঙ্কিতা চৌধুরী জানান, এই সমস্যাটা নুতন নয়,এ. ডি.ডি. এ র কাছে বেশ কয়েকবার লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে, দুর্গাপুর নগর নিগমকেও জানানো হয়েছে কিন্তু বেআইনী ঐ পাঁচিল কেন ভাঙা হয়নি এর উত্তর তারাই দিতে পারেন।
বিষয়টি আমাদের এক্তিয়ারে নয়, তবুও বিষয়টি জানানো হবে সংশ্লিষ্ট দফতরে, এক ঘন্টারও বেশী সময় ধরে আটকে রয়েছি এখানে অথচ এটা তাদের দেখার বিষয় নয়। গোটা ঘটনায় টানটান উত্তেজনা রয়েছে নামো সগরভাঙার গুডস সাইড রেল স্টক ইয়ার্ডে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রয়েছে পুলিশ।
Comments
Post a Comment